আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্ট আর ভিসা থাকাটাই দস্তুর। রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব- নিয়মের গেরো থেকে ছাড় পান না কেউই।
2
10
তবে এই নিয়মের ব্যতিক্রমও রয়েছে। তিনি আর কেউ নন, খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু তথা ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রপ্রধান পোপ।
3
10
বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে যে কোনও দেশে, যে কোনও সময়, ভিসা ছাড়াই পা রাখার অলিখিত অধিকার রয়েছে তাঁর।
4
10
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস কিংবা জাপানের সম্রাট- বিশ্বের বহু দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাই অবশ্য ভ্রমণের সময় বিশেষ কিছু ছাড় পেয়ে থাকেন।
5
10
সাধারণ নাগরিকদের মতো পাসপোর্ট বহন করার বাধ্যবাধকতা তাঁদের থাকে না। কিন্তু পোপের ক্ষমতা ও সম্মান যেন এই সমস্ত নিয়মেরও ঊর্ধ্বে। পৃথিবীর কোনও দেশই তাঁর প্রবেশে বাধা দেয় না।
6
10
কিন্তু কেন এই বিপুল ছাড়? আসলে ভ্যাটিকান সিটির প্রধান হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে পোপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
7
10
সফরের সময় তিনি ভ্যাটিকানের একটি বিশেষ ‘ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট’ বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেন। এই পাসপোর্টের জোরেই বিশ্বের সিংহভাগ দেশে অনায়াসে ভিসা ছাড়া যাতায়াত করতে পারেন তিনি।
8
10
পোপ যখনই কোনও দেশে পা রাখেন, তাঁকে ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি’র মর্যাদায় বরণ করে নেওয়া হয়।
9
10
ফলে সাধারণ ভিসা বা পাসপোর্টের চেনা নিয়মকানুন তাঁর ক্ষেত্রে কার্যত অচল। কিছু দেশে নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণে যৎসামান্য কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হলেও, মোটের ওপর পোপের জন্য ভিসার কোনও প্রয়োজনই পড়ে না।
10
10
দুনিয়ার যে প্রান্তেই তিনি যান না কেন, রাজকীয় সম্মান আর বাধাহীন প্রবেশাধিকারই তাঁর চিরসঙ্গী।