দুটি শহরের মধ্যে দ্রুত যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো ভারতীয় রেল। শতাব্দী এক্সপ্রেস ও বন্দে ভারত তার মধ্যে অন্যতম দ্রুতগতির ট্রেন।
2
9
দুটিই সম্পূর্ণ এসি নিয়ন্ত্রিত আধুনিক ট্রেন। এখানে আছে চেয়ার কার এবং এক্সিকিউটিভ চেয়ার কারের সুবিধা। থাকে খাবারদাবারের বন্দোবস্তও। তবে বাইরের চাকচিক্য বাদ দিলে প্রযুক্তি ও সুবিধায় দুটি ট্রেনের ফারাক স্পষ্ট।
3
9
বন্দে ভারত মূলত ‘সেল্ফ-প্রোপেল্ড’ ইঞ্জিনহীন আধুনিক ট্রেন, যা দ্রুত গতি বাড়াতে পারে। উপযুক্ত লাইনে এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। যেমনটা দেখা যায় তুঘলকাবাদ-আগ্রা পর্বে। অন্যদিকে ইঞ্জিনচালিত শতাব্দী এক্সপ্রেস ছোটে সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার গতিতে।
4
9
দিল্লি-চণ্ডীগড় পথেই এই তফাতটা ধরা পড়ে- একটি স্টপেজ নিয়ে বন্দে ভারত এই দূরত্ব পার করে ২ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটে, আর চারটি স্টপেজে শতাব্দীর লাগে ৩ ঘণ্টা ১৯ মিনিট।
5
9
প্রযুক্তির বিচারে বন্দে ভারত বেশ কিছুটা এগিয়ে। স্বয়ংক্রিয় দরজা, সিসিটিভি, বায়ো-ভ্যাকিউম শৌচালয়, অনবোর্ড ইনফোটেইনমেন্ট এবং দৃশ্য দেখার জন্য ১৮০ ডিগ্রি ঘূর্ণায়মান আসনের মতো আধুনিক সুবিধা রয়েছে এতে।
6
9
খাবারের মেনুতেও রয়েছে মাফিন, পপকর্ন বা আঞ্চলিক স্ন্যাকসের বিশেষ ছোঁয়া। তবে শতাব্দীও পিছিয়ে নেই। এতে এলএইচবি কোচ যুক্ত হয়েছে।
7
9
আর খাবার পছন্দের জন্য রয়েছে আইআরসিটিসি ই-ক্যাটারিং সুবিধা। পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট রুটে প্রকৃতি উপভোগের জন্য শতাব্দীর 'ভিস্তাডোম' কোচ যাত্রীদের বাড়তি আকর্ষণ।
8
9
ভাড়ার ক্ষেত্রে সাধারণ চেয়ার কারে দুই ট্রেনের পার্থক্য সামান্য হলেও এক্সিকিউটিভ ক্লাসে বন্দে ভারতের ভাড়া কিছুটা বেশি।
9
9
সামগ্রিকভাবে, শতাব্দী যেমন নিজের জায়গা ধরে রেখেছে, তেমনই গতি আর আধুনিক বিলাসিতার ছোঁয়ায় দেশের রেলে বন্দে ভারত নিয়ে এসেছে এক নতুন যুগের অভিজ্ঞতা।