মুখোমুখি বৈঠকে বসল আমেরিকা ও ইরান। যদিও তার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
2
6
দীর্ঘ সাত মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ থামাতেই নিউ ইয়র্কে স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে তিন ঘণ্টা আলোচনা করেন ইরানি প্রতিনিধিরা। ট্রাম্প বৈঠকটিকে “ইতিবাচক” বলে দাবি করলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই বার্তালাপ চলেছে বলে খবর। অন্যদিকে ইরানের দাবি, এই বৈঠকে হাজির ছিলেন তাদের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-ও।
3
6
একদিকে যখন নিউ ইয়র্কে শান্তির পরিবেশ, ঠিক তখনই প্রণালী-সংলগ্ন কিশম দ্বীপের কাছে বিস্ফোরণের খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
4
6
যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল নিয়ে টানাপোড়েন। এদিকে দেশের ভেঙে পড়া অর্থনীতি সামাল দিতে কোণঠাসা ইরান। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, সমস্যার সমাধানে ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও বৈঠকে বসতে ট্রাম্পের কোনও আপত্তি নেই।
5
6
সভায় ট্রাম্পের কণ্ঠে ধরা পড়েছে বিপরীত সুর। একদিকে তিনি ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে আলোচনায় ফেরার বার্তা দিয়েছেন, অন্যদিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন- হয়তো ইরানকে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া হবে, অথবা এক লহমায় নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
6
6
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধপ্ৰিয় নীতি নিয়ে দলের অন্দরেই রাজনৈতিক চাপে ট্রাম্প। তাই সংঘাত মিটিয়ে ফেলার দিকেই জল গড়াবে কি না, সে দিকেই এখন নজর গোটা বিশ্বের।