আজ নতুন বছরের প্রথম দিন। বর্ষশেষের রাতে পার্টি, দেদার খানাপিনার আয়োজনে সামিল হন অনেকেই। রেস্তরাঁ, পাব বা হাউস পার্টিতে চলে আনন্দ। তবে যতই রাতভর পার্টি করুন, সকালে কাজে না গিয়ে তো উপায় নেই। সকাল হতেই শরীরের সমস্ত ক্লান্তি সরিয়ে যোগ দিতে হবে কর্মক্ষেত্রে। তাই পার্টির হইহুল্লোড়ে মেতে থাকলেও সুস্থ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
2
8
এমনিতেই আজকাল অল্পবয়সেই ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মতো ক্রনিক রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। তাই শরীরের প্রতি অবহেলা করলে চলবে না। সেক্ষেত্রে রাতভর পার্টির পরদিন কয়েকটি ফল খেলে চাঙ্গা থাকতে পারবেন। কোন কোন ফল হ্যাংওভার কমাতে সাহায্য করে জেনে নিন-
3
8
কলা: হ্যাংওভারের সময় শরীর থেকে অনেকটা জল ও খনিজ বেরিয়ে যায়। এতে পটাশিয়ামের ঘাটতি হয়, যা দুর্বলতা আর মাথা ঘোরার কারণ। কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। একটি বা দুটি কলা খেলে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ফিরতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তি কিছুটা কমে।
4
8
তরমুজ: অ্যালকোহল শরীরকে দ্রুত ডিহাইড্রেট করে। তরমুজে থাকে প্রায় ৯০ শতাংশ জল। সকালে তরমুজ খেলে শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ হয়, মুখ শুকিয়ে যাওয়া আর মাথাব্যথা কমতে পারে।এছাড়া তরমুজের প্রাকৃতিক শর্করা শরীরকে দ্রুত এনার্জিও দেয়।
5
8
ব্লুবেরি: পার্টির পর শরীরে ইনফ্ল্যামেশন বা ভেতরের জ্বালা বেড়ে যেতে পারে। ব্লুবেরিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এগুলো লিভারের ওপর চাপ কমাতে ও শরীরকে ডিটক্স করতে সহায়তা করে। ফলে হ্যাংওভারের অস্বস্তি কিছুটা হালকা হয়।
6
8
কমলালেবু বা মাল্টা: হ্যাংওভারের সময় অনেকেরই বমি ভাব হয়, খেতেও ইচ্ছে করে না। কমলালেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরকে চাঙা করে। কমলালেবু বা কমলালেবুর রস লিভারকে অ্যালকোহল ভাঙতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।
7
8
অ্যাভোকাডো:অ্যাভোকাডোতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়াম। এটি পেটকে শান্ত রাখে, অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়।
8
8
এছাড়াও ফলের সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত জল পান করুন। খুব তেল-ঝাল খাবার এড়িয়ে চলুন। শরীর দুর্বল লাগলে বিশ্রাম নিন। মনে রাখবেন, হ্যাংওভার পুরোপুরি সারানোর কোনও জাদু নেই। তবে এই ফলগুলো শরীরকে দ্রুত স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে।