শিক্ষক দিবসের দিন, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে বড় ইঙ্গিত মিলল।
2
9
এদিন তাঁর ছাত্রাবস্থায় বক্তৃতা, ডিবেটে অংশগ্রহণ করার কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
3
9
তখই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "এ সব সিদ্ধান্ত নিলে আমার ভোট কমে যেতে পারে।"
4
9
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন আশঙ্কার কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?
5
9
মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের উপর মোবাইল ফোনের ভয়ঙ্কর কু-প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি গুজরাটের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
6
9
শুভেন্দু বলেন, "মোবাইল ফোনের ভয়ঙ্কর কু-প্রভাব রয়েছে ছাত্রছাত্রীদের উপর। গুজরাতে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। এ সব সিদ্ধান্ত নিলে আমার ভোট কমে যেতে পারে।"
7
9
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'গুজরাটে দেখুন, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল ফোনে হাত দিতে দেওয়া হয় না। ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছে মোবাইল ফোন। রাত দেড়টা-দু'টোর আগে বাচ্চারা ঘুমোতে যায় না, সারাক্ষণ মোবাইল ঘাঁটছে। বাবা-মা শুয়ে পড়েছে, আড়াল হতেই মোবাইল ঘাঁটা আরম্ভ করে দিচ্ছে।'
8
9
তাঁর কথায়, 'এই সমস্ত সংস্কার যদি না করেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষক দিবসের কোনও মানেই থাকবে না।'
9
9
তাহলে কী, আগামী দিনে গুজরাটের মতো বাংলাতেও স্কুলে স্কুলে মোবাইল ব্যান করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিতে সেই প্রশ্নই জোড়াল হল।