হিন্দু ধর্মে শনি জয়ন্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনেই জন্ম হয়েছিল শনিদেবের।
2
12
জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিকে কর্মফলদাতা বলা হয়। অর্থাৎ মানুষ যেমন কাজ করেন, শনিদেব তেমনই ফল দেন। তাই অনেকেই শনির কুপ্রভাব কমাতে এবং জীবনে শান্তি ও সাফল্য আনতে শনি জয়ন্তীর দিন বিশেষ পুজো, দান ও নানা নিয়ম পালন করেন।
3
12
২০২৬ সালের শনি জয়ন্তীতে শনিদেবকে খুশি করতে কী দান করা উচিত, কী করা উচিত নয় এবং কেন এই দিন এত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়, তা নিয়ে নানা ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে
4
12
শনি জয়ন্তীর দিনে কী দান করা শুভ? ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, শনিদেবের সঙ্গে কালো রঙের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তাই এই দিনে কালো রঙের কিছু জিনিস দান করা খুব শুভ বলে মনে করা হয়।
5
12
এদিন কালো তিল, কালো উড়দ ডাল, কালো কাপড়, সর্ষের তেল, লোহার জিনিস, কালো চটি বা জুতো দান করতে পারেন। বিশ্বাস করা হয়, দরিদ্র মানুষ, শ্রমিক, বৃদ্ধ বা অসহায় কাউকে এসব দান করলে শনিদেব সন্তুষ্ট
6
12
এছাড়াও এদিনে কাক, কালো কুকুর বা গরুকে খাবার খাওয়ানোর প্রচলন রয়েছে। কারণ ধর্মীয় মতে, এসব প্রাণীর সঙ্গে শনিদেবের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।
7
12
অনেকে আবার পিপল গাছের নীচে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালান এবং গাছটিতে জল দেন। এটিও শুভ বলে মনে করা হয়।
8
12
কোন কাজগুলো এড়িয়ে চলতে বলা হয়? শনি জয়ন্তীর দিনে কিছু কাজ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ বিশ্বাস করা হয়, এসব কাজ শনিদেবকে অসন্তুষ্ট করতে পারে।
9
12
এদিন যেসব কাজ এড়িয়ে চলার কথা বলা হয় তা হল মিথ্যা কথা বলা, অহংকার করা, কারও অপমান করা, দরিদ্র বা শ্রমজীবী মানুষকে কষ্ট দেওয়া, অকারণে রাগ বা ঝগড়া করা, প্রতারণা বা খারাপ কাজ করা।
10
12
অনেকেই এদিনে আমিষ খাবার, মদ্যপান বা তামসিক খাবার থেকেও দূরে থাকেন। কারণ এতে মন শান্ত থাকে বলে মনে করা হয়।
11
12
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ শনি জয়ন্তী? জ্যোতিষ মতে, শনিদেব মানুষের কর্মের বিচার করেন। তাই শনি জয়ন্তীকে শুধুমাত্র পুজোর দিন হিসেবে নয়, নিজের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে ভাবার দিন হিসেবেও দেখা হয়।
12
12
এদিনে মানুষ দান, সংযম, সততা ও ভাল আচরণের মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন। অনেকের বিশ্বাস, সৎ কাজ ও আন্তরিক ভক্তি শনিদেবের আশীর্বাদ এনে দেয় এবং জীবনের বাধা কমাতে সাহায্য করে।