বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে একটি আকর্ষণীয় বিষয় আবিষ্কার করেছেন, যা ব্যাখ্যা করে পৃথিবীতে কীভাবে বিশাল সোনার ভান্ডার গঠিত হয়। এই গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছে জার্মানির একটি সামুদ্রিক ভূতত্ত্ববিদের দল।
2
7
একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায় যে, নিউজিল্যান্ডের নিকটবর্তী সমুদ্রগর্ভস্থ আগ্নেয় অঞ্চলগুলি প্রাকৃতিক ‘সোনার কারখানা’ হিসেবে কাজ করে এবং মূল্যবান ধাতুর বিশাল ভাণ্ডার তৈরি করে।
3
7
গবেষকদের দাবি, এই প্রক্রিয়াটি পৃথিবীর গভীরে শুরু হয়। সমুদ্রতলের নীচে টেকটনিক প্লেটগুলির স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট তাপ ও চাপের কারণে শিলা গলে যায় এবং এমন তরল পদার্থ নির্গত করে যা সোনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4
7
বিজ্ঞানীরা জলের নীচে লাভা দ্রুত ঠান্ডা হয়ে তৈরি হওয়া আগ্নেয় কাচের ৬৬টি নমুনা বিশ্লেষণ করেছেন। এই নমুনাগুলিতে সাধারণ শিলার তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি পরিমাণে সোনা পাওয়া গিয়েছে।
5
7
সোনা প্রায়শই সালফারের সঙ্গে যুক্ত থাকে, গলন প্রক্রিয়ার সময় আলাদা হয়ে যায় এবং লাভার সঙ্গে বাহিত হয়। এটি অবশেষে সমুদ্রতলের হাইড্রোথার্মাল ভেন্টের মাধ্যমে জমা হয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ গঠন করে।
6
7
এই গবেষণাটি তুলে ধরেছে যে, একসময় সাধারণ বলে মনে করা অঞ্চলগুলিতেও সোনা এবং তামার উল্লেখযোগ্য মজুদ থাকতে পারে।
7
7
এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের মূল্যবান খনিজটি কীভাবে গঠিত হয় তা আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সমুদ্রগর্ভস্থ সম্পদ শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।