জন্ম বা মৃত্যু শংসাপত্র অর্থাৎ বার্থ বা ডেথ সার্টিফিকেটও ডিজিটালাইজ করার চল এসে গিয়েছে বর্তমানে। পুরনো হাতে লেখা শংসাপত্র হারিয়ে যাওয়ার থেকে এটা অনেক নিরাপদ।
2
11
এটা করা যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং ঘরে বসেই। অনলাইনে যেমন বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার অপশন রয়েছে সেরকমই স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তর অর্থাৎ পুরসভাতে গিয়েও এটি ডিজিটাল করা যায়।
3
11
তবে এবার থেকে বার্থ বা ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে দেশে জারি হতে চলেছে নতুন আইন। ফলে, আপনার যদি বার্থ বা ডেথ সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় তাহলে এই নতুন আইন সম্পর্কে আগে থেকে জেনে রাখা আবশ্যক।
4
11
জানানো হয়েছে, ১ অক্টোবর থেকেই দেশে কার্যকর হতে চলেছে জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সংশোধিত আইন। হাতে লেখা সার্টিফিকেট হোক কিংবা ডিজিটাল সার্টিফিকেট, এই আইন মানতেই হবে।
5
11
নতুন এই নির্দেশিকা জারি করার প্রধান লক্ষ্য হল সময় মতো জন্ম ও মৃত্যু সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন করানো। যদি কেউ দেরি করে রেজিস্ট্রেশন করান তখনই এই আইনের ফাঁদে পড়তে হবে।
6
11
এই নতুন আইনে মূলত দেরি করে সার্টিফিকেট নিবন্ধনের (Delayed Registration) ক্ষেত্রে নিয়মকানুন অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ এই আইন চালুর কথা ঘোষণা করেছেন।
7
11
উল্লেখ্য, সংসদের উভয় কক্ষে বিল পাশ হওয়ার পর আগস্ট মাসেই সংশোধিত ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০২৬’ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়। ১ অক্টোবর থেকেই তা চালু হয়ে যাচ্ছে দেশজুড়ে।
8
11
কী বলা হয়েছে এই নতুন আইনে? বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবরের পর থেকে সময়মতো বার্থ বা ডেথ সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন না করালে অনুমতি লাগবে আদালতের বিচারক বা জেলা প্রশাসনের।
9
11
এই সময়সীমা কতদিনের? আইনে বলা হয়েছে, যদি এক বছরের বেশি এবং দু’বছরের কম হয় সেক্ষেত্রে জেলা শাসক, মহকুমা শাসক বা অনুমোদিত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুমতির প্রয়োজন।
10
11
সময়সীমা যদি দু’বছরের বেশি হয় তাহলে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার পরেই মিলবে সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন। তবে খেয়াল রাখতে হবে দুই ক্ষেত্রেই ফাইন দিতে হবে এবং ভেরিফিকেশন হবে।
11
11
এই নতুন আইন জারি করার উদ্দেশ্য কী? এর মূল উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। যাতে আমজনতা সময় মতো বার্থ বা ডেথ সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নেন।