চিনি থেকে শুরু করে তেল, গুড়ের দাম হুহু করে বেড়েছে। রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে আমজনতা। এই পরিস্থিতিতে বড় প্রস্তাব দিলেন রেশন ডিলাররা।
2
6
খোলা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রেশন ডিলারদের মাধ্যমে বিকল্প বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠন।
3
6
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দিয়েছে রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠন। রাজ্যের রেশন দোকানগুলিকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত বরাদ্দের চাল-গম, জনপোষণ কেন্দ্র, জনঔষধি কেন্দ্র, পাঁচ কেজির নন-সাবসিডাইজড গ্যাস সিলিন্ডার এবং বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।
4
6
সংগঠনের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসুর দাবি, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির পাশাপাশি দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকারের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগে সহযোগিতা করতেই এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রেশন ডিলারদের নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছে সংগঠন।
5
6
ডিলারদের সংগঠনের প্রস্তাব অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘টাইড-ওভার অ্যালোকেশন’-এর মাধ্যমে অতিরিক্ত বরাদ্দ পাওয়া চাল ও গম তুলনামূলক কম দামে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি রেশন দোকানগুলির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জনপোষণ কেন্দ্র ও প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এতে খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি সুলভ মূল্যে ওষুধ-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবাও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন রেশন ডিলারদের সংগঠন।
6
6
এছাড়াও পাঁচ কেজি ওজনের নন-সাবসিডাইজড গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা এবং রেশন দোকান থেকে সমস্ত ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় ও নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী বিক্রির অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় নীতিকে মর্যাদা দিয়ে এই ধরনের বহুমুখী বিপণন ব্যবস্থা চালু করা হলে রেশন ডিলারেরা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবেন।