জিমে ভর্তি হওয়ার আগে করান ৫ রক্তপরীক্ষা! হৃদ্রোগের ঝুঁকি এড়াতে কী পরামর্শ চিকিৎসরকের
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১২ : ১৬
শেয়ার করুন
1
7
ওজন কমানো হোক কিংবা পেশি মজবুত করা, শরীরচর্চা শুরু করার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানা জরুরি। বাইরে থেকে সুস্থ দেখালেও শরীরের ভিতরে কোনও সমস্যা থাকতে পারে। বিশেষত যাঁরা দীর্ঘদিন শরীরচর্চা করেননি, বয়স ৪০ পেরিয়েছে অথবা পরিবারে হৃদ্রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উপকারী হতে পারে।
2
7
১.হাই-সেনসিটিভিটি সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন (hsCRP)শরীরে প্রদাহের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেয় এই পরীক্ষা। রক্তনালির প্রদাহ এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি মূল্যায়নে এটি সাহায্য করতে পারে। তবে শুধু এই পরীক্ষার ফল দিয়ে হৃদ্রোগের সম্ভাবনা নিশ্চিত করা যায় না।
3
7
২. সিরাম ম্যাগনেশিয়ামশরীরে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। স্বাভাবিক হৃদ্স্পন্দন, পেশির কাজ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেশিয়ামের ভূমিকা রয়েছে। ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
4
7
৩. লিপিড প্রোফাইলএই পরীক্ষায় মোট কোলেস্টেরল, এলডিএল, এইচডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা জানা যায়। হৃদ্রোগের ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় জীবনযাত্রার পরিবর্তন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে এটি সাহায্য করে।
5
7
৪. লিপোপ্রোটিন (a)লিপোপ্রোটিন (a) বা Lp(a) হল জিনগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি হৃদ্রোগের ঝুঁকির সূচক। সাধারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও এর মাত্রা বেশি হতে পারে। পরিবারে অল্প বয়সে হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসক এই পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিতে পারেন।
6
7
৫. ভিটামিন বি১২ ও ডি৩ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি স্নায়ু ও রক্তকণিকার স্বাভাবিক কাজে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হাড় ও পেশির স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করে ঘাটতি চিহ্নিত করা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে তার চিকিৎসা সম্ভব।
7
7
বয়স, শারীরিক উপসর্গ, পারিবারিক ইতিহাস এবং আগের অসুস্থতার ভিত্তিতে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করবেন। বুকে ব্যথা, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা পরিশ্রমের সময় অস্বস্তি হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।