আগামী বৃহস্পতিবার রথ যাত্রা। পুরীতে তো বটেই, গোটা দেশ, এমনকী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাড়ম্বরে পালিত হবে রথ যাত্রা। কিন্তু জানেন কি কেন জগন্নাথদেব, বলরাম বা বলভদ্র এবং সুভদ্রার মূর্তি অসমাপ্ত? কেন শেষ করা হয়নি তাঁদের বিগ্রহ? কেন অসমাপ্ত মূর্তিতেই পুজো পান, নেপথ্যে রয়েছে কোন ইতিহাস এবং লোককথা? ছবি- সংগৃহীত
2
7
কথিত আছে, বিষ্ণু ওড়িশার রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নকে স্বপ্ন দেন। সেই স্বপ্নাদেশে তিনি রাজাকে আদেশ দিয়ে বলেন দারু ব্রহ্ম নামক পবিত্র কাঠ থেকে তাঁর মূর্তি তৈরি করতে। ছবি- সংগৃহীত
3
7
সেই সময় এক রহস্যময় বৃদ্ধ ছুতোর বা কাঠের মিস্ত্রি আসেন এবং এই মূর্তি বানাতে রাজি হন। কিন্তু তিনি শর্ত দেন, তিনি যখন কাজ করবেন সেখানে কেউ আসবেন না, কেউ দেখবেন না। তাঁকে কোনও ভাবে বিরক্ত যেন না করা হয়। ছবি- সংগৃহীত
4
7
রাজা তাতেই রাজি হন। বদ্ধ ঘরে সেই বৃদ্ধ মূর্তি বানাতে শুরু করেন। এভাবেই বেশ কিছুদিন কেটে যাওয়ার পর রাজা অধৈর্য হয়ে পড়েন। কাজ কতটা হল, বৃদ্ধ ছুতোর ঠিক আছেন কিনা সেটা দেখতে রাজা দরজা খুলতে দেখেন ভিতরে কেউ নেই। ছবি- সংগৃহীত
5
7
আর মূর্তি তখন যতদূর তৈরি হয়েছিল, সেই অবস্থা পড়ে। জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা কারও হাত, পা নেই। নেই চোখের পাতাও। ছবি- সংগৃহীত
6
7
কিন্তু মূর্তি যতই অসমাপ্ত থাকুক, তার থেকে যেন এক ঐশ্বরিক তেজ, শক্তি ছড়িয়ে পড়তে থাকে। রাজা তার ভুল বোঝেন, কিন্তু সেই সময়ই দৈববাণী শোনা যায়। বলা হয়, মূর্তি যে রূপে আছে সেটা একদম ঠিক আছে। এভাবেই যেন পুজো করা হয়। ছবি- সংগৃহীত
7
7
কী বার্তা দেয় এই মূর্তি? জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার এই অসমাপ্ত মূর্তি এটাই বোঝায় ঈশ্বর মানুষের সৃষ্টির বাইরে। একই সঙ্গে ধৈর্য ধরার বার্তা দেয়, মনে করায় ঈশ্বরের উপর ভরসা, বা আস্থা রাখার কথাও।ছবি- সংগৃহীত