ভারতীয় মহিলারা যে ধরনের ক্যান্সারে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হন তার মধ্যে অন্যতম হল ওভারিয়ান ক্যান্সার। কিন্তু প্রাথমিক স্টেজে মোটেই ধরা পড়ে না এই রোগ! ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কেসেই রোগ নির্ণয় হয় একদম শেষ স্টেজে এসে যখন আর সুস্থ হওয়ার, চিকিৎসা করার বিশেষ সুযোগ থাকে না। ছবি- সংগৃহীত
2
9
অঙ্কোলজিস্টদের মতে, ওভারিয়ান ক্যান্সার সাইলেন্ট কিলার। কারণ এই রোগ আগে থেকে কিছুই টের পেতে দেয় না। নিশ্চুপে বেড়ে চলে। তবে যে একদমই কোনও উপসর্গ দেখা বা বোঝা যায় না এই রোগের তেমন নয়। জেনে নিন কোন কোন সাধারণ লক্ষণ আসলে ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণ যা অনেক সময়ই অবহেলা করা হয়। ছবি- সংগৃহীত
3
9
পেট ফাঁপা বা সবসময় পেট ভার লাগা কিন্তু হতে পারে ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণ। সামান্য খাবার খাওয়ার বা অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার পরও যদি পেট ভার লাগে তাহলে সতর্ক হন। আর প্রায় রোজ রোজ যদি এই জিনিস ঘটে তবে মোটেই অবহেলা করবেন না। ছবি- সংগৃহীত
4
9
পেট ফাঁপ বা ভার হওয়ার পাশাপাশি যদি তলপেটে সমানে একটা চিনচিনে ব্যথা হতে থাকে তাহলেও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ছবি- সংগৃহীত
5
9
ঋতুস্রাবের ধরনে বদল এলেও সতর্ক হন। যদি প্রতি মাসে খুব বেশি ব্লিডিং হয় বা একদম কম হয়, বা ঋতুচক্র না মেনেই যখন তখন ঋতুস্রাব হতে থাকে তাহলে সেটাকে অবহেলা না করে ডাক্তার দেখান। ছবি- সংগৃহীত
6
9
মেনোপোজ হওয়ার পর যদি আবারও নতুন করে ঋতুস্রাব শুরু হয়, তাহলে তো কোনও রকম ভাবেই সেই সিম্পটমকে উপেক্ষা করবেন না। যদিও মহিলাদের হরমোনাল চেঞ্জ হয়। কিন্তু সেটা যদি প্রতি মাসেই বদলাতে থাকে তবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ছবি- সংগৃহীত
7
9
প্রাইভেট পার্ট থেকে যদি ক্রমাগত ডিসচার্জ হয় এবং তাতে দুর্গন্ধ হয় তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। বিশেষ করে যদি সেটা লালচে রঙের হয়। ছবি- সংগৃহীত
8
9
কখন সতর্ক হবেন? যখন দেখবেন কোনও মাসের ১২ দিন বা প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লক্ষণগুলো টানা থাকছে তখনই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ছবি- সংগৃহীত
9
9
যে মহিলাদের বাড়ির কেউ অতীতে ব্রেস্ট, ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন বা কোলন ক্যান্সারের হিস্টোরি আছে পরিবারের কারও তাঁরা এই উপসর্গগুলো হালকা ভাবে নেবেন না। প্রাথমিক স্টেজে ধরা পড়লে চিকিৎসা সম্ভব। ছবি- সংগৃহীত