হীরে। সোনা, রুপোর দাম নিয়ে চর্চা হলেও, হীরের দিকে হাত বাড়ানোই দায় মধ্যবিত্তের। তবে এমন জায়গার কথা শুনলে কেমন লাগবে, যেখানে গেলে নাকি খোঁজ মিলতে পারে হীরের।
2
7
জানা যায়, এই আশ্চর্য জায়গা আবিষ্কার হয় ১৯০৮ সালে। কোথায় সেই জায়গা? নামিবিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলরেখা। ওই জায়গা এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান, উচ্চ-গ্রেডের হীরা উৎপাদনকারী অঞ্চল বলে পরিচিত।
3
7
বলা হয়, এই উপকূল অঞ্চল, নামিবিয়ার যে কোনও শহর অঞ্চলের থেকে অনেক বেশি মূল্যবান। শুধু তাই নয়, সমগ্র নামিবিয়ায় অর্থনীতির অনেকটাই নির্ভর করে এই অঞ্চলের উপরে।
4
7
জানা যায়, ১৯০৮ সালে, অগাস্ট স্টাউচ নামে একজন রেলকর্মী নামিবিয়ার লুডেরিৎজ শহরের কাছে হীরা খুঁজে পান। জার্মান ঔপনিবেশিক সরকার এই খবর পেয়েই ব্যাপক রোজগারের পথ খুঁজে পায় এবং ফলস্বরূপ ওই জায়গাটিকে স্পেরজিবিট (জার্মান ভাষায় নিষিদ্ধ এলাকা) ঘোষণা করে।
5
7
শুধুমাত্র খনির কর্মীরা এই সীমাবদ্ধ অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারতেন। পরে ১৯১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বাহিনী এই অঞ্চলটি দখল করে নেয়। ১৯২০ সালে, উত্তর স্পেরজিবিয়েটের জার্মান খনি কোম্পানিগুলি তাদের স্বার্থ দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকার একীভূত হীরা খনি লিমিটেডের কাছে বিক্রি করে দেয়, যাদের ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে খনির অধিকার ছিল।
6
7
ওয়ার্ল্ড ডায়মন্ড কাউন্সিলের মতে, মেরিন ডায়মন্ড কর্পোরেশন ১৯৬১ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের মাত্র ২০ মিটার নীচে থেকে ১.৫ মিলিয়ন ক্যারেট খনন করেছে।
7
7
জার্মানি ঘোষিত নিষিদ্ধ অঞ্চলে আজও খনন কার্য চলে বলে উল্লিখিত একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে। সঙ্গে এও উল্লিখিত, সম্পদের পরিমাণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে এসেছে অনেকটাই।