মন্দিরের গর্ভগৃহে নেই কোনও ছাদ। মন্দিরের ভিতরে শিবলিঙ্গের ওপর খোলা আকাশ বারো মাস। সারাবছর এই শিবলিঙ্গ জলে ডুবে থাকে। নদীর জল এই মন্দিরের গর্ভগৃহেই জমা থাকে।
2
7
বছরভর হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় এই মন্দিরে। যা আদতেই রহস্যে মোড়া। ১৯৮৬ সালে ইউনেসকো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট-এর স্বীকৃতি পায় হাম্পি। হাম্পির এক বিস্ময়কর স্থান হল বদভিলিঙ্গ মন্দির।
3
7
বদভিলিঙ্গ নামটি বদভ এবং লিঙ্গ এই দুই শব্দের মিশ্রণ। স্থানীয় ভাষায়, বদভি শব্দের অর্থ হল দরিদ্র এবং লিঙ্গের মানে মহাদেবকেই বোঝানো হয়।
4
7
কথিত আছে, এক দরিদ্র কৃষক মহিলা এই মন্দিরের অভ্যন্তরে শিবলিঙ্গটি তৈরি করেছিলেন। তখন বিজয়নগর সাম্রাজ্যের শাসনকাল। তখনই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়।
5
7
বিশালাকার এই শিবলিঙ্গটি ছোট্ট একটি মন্দিরের মধ্যে রয়েছে। যে গর্ভগৃহে ছাদ নেই। সরাসরি সূর্যের আলো শিবলিঙ্গে পড়ে। বর্ষায় বৃষ্টির জলে ধুয়েও যায়।
6
7
শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৩ মিটার। মন্দিরের পাশেই তুঙ্গভদ্রা নদী। এই নদী থেকে একটি খাল মন্দিরের মধ্য দিয়ে চলে গেছে। তাই সারাবছর শিবলিঙ্গটি জলেই ডুবে থাকে।
7
7
তবে এই জলকে অনেকেই পবিত্র বলে মনে করেন। স্থানীয়দের দাবি, মাত্র এক টাকা এই জলে ফেললেই তুষ্ট হয় মহাদেব। এই মন্দিরে প্রার্থনা করলেই, মনস্কামনা পূরণ হয়।