এরপরেই শুরু হয়েছে মায়ের মূর্তি তৈরির কাজ। প্রতি বছর কালীপুজোয় লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় এই মন্দিরে।
3
9
এই বছরও ভক্তদের ভিড় সামলানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন পুজোর উদ্যোক্তারা। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টেক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি সেরে রাখা হচ্ছে।
4
9
পুজোর ক’টি দিন মায়ের দর্শনের পাশাপাশি ভোগের লাইনেও পড়ে বিশাল লাইন। এর জন্য মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের কুপন সংগ্রহ করতে হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোথায় মিলবে এই কুপন? কী ভাবে মিলবে বড়মার ভোগ?
5
9
পুজোর ক’দিন ভোগের প্রসাদে খিচুড়ি, পাঁচমেশালি তরকারি, পোলাও, আলুর দম, সাদা ভাত, লুচি, মিষ্টি দেওয়া হয়। প্রতি দিন সন্ধ্যায় নানা রকমের মিষ্টি দেওয়া হয় বড়মাকে। রসগোল্লা, স্বরপুরিয়া থেকে শুরু করে লাড্ডু। সবই থাকে।
6
9
আগামী ৮ নভেম্বর কালীপুজো। ভোগের প্রসাদের ৭ এবং ৮ নভেম্বর সংগ্রহ করা যাবে। নৈহাটি নরেন্দ্র উচ্চ বিদ্যানিকেতন (বয়েজ স্কুল) ও নৈহাটি মহেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এবং নৈহাটি পুরসভায় রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টোর মধ্যে কুপন সংগ্রহ করতে হবে দর্শনার্থীদের।
7
9
পুজো শেষে ৮ নভেম্বর রাতেই খুলে দেওয়া হবে বড়মার ভোগের কাউন্টার। রাত আড়াইটে থেকে শ্যাম রোড এবং জগবন্ধু মোড়ের কাউন্টার থেকে ভোগ বিতরণ করা হবে।
8
9
৮ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় মাকে বরণ করা হবে। রাত সাড়ে ১১টায় ঘট প্রতিষ্ঠা করা হবে। পুজো শুরু হবে রাত ১২টায়। রাত ১টা ৩০ মিনিটে অঞ্জলি শুরু হবে। এরপর রাত আড়াইটে থেকে ভোগ-প্রসাদ বিতরণ শুরু হবে।
9
9
৯ থেকে ১১ নভেম্বর দুপুর আড়াইটে এবং সাড়ে ৯টায় ভোগ বিতরণ করা হবে। ১২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টায় বিসর্জনের পুজো। সাড়ে ১০টায় মায়ের গয়না খোলা হবে। দুপুর ২টোয় মাকে বরণ করা শুরু হবে। বিকেল ৪টের সময় প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে।