বিজয়া দশমী মানেই প্রণাম, কোলাকুলি আর মিষ্টিমুখ। আর বাঙালির মিষ্টিমুখের তালিকায় মালপোয়া থাকলে জমে যায় উৎসবের আনন্দ। বাইরে থেকে কিনে না এনে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন নরম, রসালো ও সুস্বাদু মালপোয়া। সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায় এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। রইল সহজ রেসিপি।
2
8
মালপোয়া বানাতে ময়দা – ১ কাপ, সুজি – ২ টেবিল চামচ, দুধ – ১ কাপ (প্রয়োজন অনুযায়ী কমবেশি), মৌরি – আধ চা চামচ, চিনি – ২ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়ো – এক চিমটি, পাকা কলা – ১টি (ঐচ্ছিক) ঘি বা সাদা তেল – ভাজার জন্য, চিনির রসের জন্য:চিনি – ১ কাপ, জল – আধ কাপ, এলাচ – ২টি, গোলাপ জল – কয়েক ফোঁটা (ঐচ্ছিক)
3
8
একটি বড় পাত্রে ময়দা, সুজি, চিনি, মৌরি ও এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে মিশ্রণটি ফেটিয়ে নিন, যাতে কোনও দলা না থাকে। চাইলে পাকা কলা ভাল করে চটকে মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে মালপোয়া নরম হবে এবং স্বাদও বাড়বে।
4
8
তৈরি গোলা ২০–৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। এতে সুজি কিছুটা ফুলে উঠবে এবং মালপোয়ার গঠন ভাল হবে। গোলা খুব ঘন হলে সামান্য দুধ মিশিয়ে নিন। আবার বেশি পাতলা হয়ে গেলে অল্প ময়দা মেশাতে পারেন।
5
8
একটি পাত্রে চিনি ও জল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন। চিনি গলে গেলে এলাচ দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। মালপোয়ার জন্য খুব ঘন রসের প্রয়োজন নেই। শেষে চাইলে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মেশাতে পারেন।
6
8
কড়াইয়ে ঘি বা সাদা তেল গরম করুন। আঁচ মাঝারি থেকে কম রাখুন। একটি হাতা দিয়ে গোলা কড়াইয়ে গোল করে ঢেলে দিন। দু’পিঠ সোনালি বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তারপর তুলে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে নিন।
7
8
গরম মালপোয়া হালকা গরম চিনির রসে ১–২ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর তুলে প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। চাইলে উপর থেকে কুচোনো পেস্তা বা আমন্ড ছড়িয়ে দিতে পারেন।
8
8
মালপোয়া সুস্বাদু করার কয়েকটি টিপস: গোলা খুব পাতলা করবেন না, তাতে মালপোয়া ভাজার সময় ভেঙে যেতে পারে। বেশি আঁচে ভাজবেন না। বাইরে দ্রুত রং ধরে গেলেও ভিতরটা কাঁচা থেকে যেতে পারে। মালপোয়া ভাজার পর চিনির রসে বেশিক্ষণ ডুবিয়ে রাখলে অতিরিক্ত নরম হয়ে যেতে পারে।