হিন্দুদের ১২ মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম উল্লেখযোগ্য উৎসব মকর সংক্রান্তি। গোটা ভারত জুড়েই বিভিন্ন নামে পালিত হয় এই উৎসব। মকর সংক্রান্তির দিনই সূর্য ধনু থেকে মকরে প্রবেশ করে, এবং শীতের শেষ বোঝায়। ছবি- সংগৃহীত
2
8
চলতি বছরে হিন্দু পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করবে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ এর দুপুর ৩টে ১৩ মিনিটে। এটিকে সৌর গোচরও বলা হয়ে থাকে মকর সংক্রান্তির পাশাপাশি। এই তিথিতে দান, ধ্যান, গঙ্গাস্নান, ইত্যাদির রীতি রয়েছে। আর যাঁদের পিতৃদোষ রয়েছে তাঁদের জন্য আরও বিশেষ এই দিন। ছবি- সংগৃহীত
3
8
যাঁদের পিতৃদোষ থাকে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা, ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। বাদ যায় না কর্মজীবনের চাপ, জটিলতা। কিন্তু এই দোষ চাইলে সহজেই কাটানো যায়। মনে করা হয়, মকর সংক্রান্তির দিন পুজো, দান, ধ্যান করলে এবং নির্দিষ্ট কিছু টোটকা মানলে এই দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ছবি- সংগৃহীত
4
8
পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে সূর্যকে জল দান করুন। স্নানের পর এক তামার ঘটে জল নিন। তাতে কালো তিল এবং লাল ফুল দিন। এবার ওম পিত্রুদেবায় নমঃ মন্ত্র উচ্চারণ করে জল সুর্যদেবকে অর্পণ করুন। মনে করা হয় এতে পূর্বপুরুষরা তুষ্ট হন। ছবি- সংগৃহীত
5
8
গরু, কুকুর বা কাককে খাবার দিন এই সময়। মনে করা হয় এদিন পশুদের খাওয়ালে তাঁদের রূপ ধরে এসে সেই খাবার পূর্বপুরুষরা গ্রহণ করেন। ছবি- সংগৃহীত
6
8
সন্ধ্যাবেলায় বাড়ির দক্ষিণ দিকে একটি প্রদীপ জ্বালান। এই বাতিটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করবেন। তাঁদের আশীর্বাদ চাইবেন। ছবি- সংগৃহীত
7
8
গঙ্গাস্নান করুন মকর সংক্রান্তির তিথিতে। গঙ্গাস্নান না হলেও কোনও পবিত্র নদী বা পরিষ্কার পুকুর বা ঝিলে স্নান করুন। তারপর খাবার, জামা বা অন্যান্য জিনিস দান করুন কোনও দুঃস্থ মানুষকে। ছবি- সংগৃহীত
8
8
মনে করা হয় মকর সংক্রান্তির দিন এই টোটকা করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে, উন্নতি হয়। একই সঙ্গে পূর্বপুরুষদের সঙ্গে দেবদেবীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়। বিপদ, আপদ দূর হয়। সূর্যদেব এবং ভগবান বিষ্ণুর পুজো করা উচিত। এতে মানসিক শান্তি প্রাপ্তি হয়। ছবি- সংগৃহীত