রাজ্য সরকারের প্রকল্প ‘কৃষক বন্ধু’তে স্বচ্ছতা আনতে এবার জোরদার পদক্ষেপ করল নবান্ন। প্রকল্পের তালিকা থেকে ভুয়ো আবেদনকারী ও মৃত কৃষকদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকারি ভাতা পৌঁছে দিতে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ ভেরিফিকেশন বা পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া।
2
12
নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখার যে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, এটি তারই অংশ। এই প্রকল্পে একজন বছরে ৬০০০ টাকা করে পাবে।
3
12
প্রশাসন সূত্রে খবর, এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য হলো যোগ্য উপভোক্তারাই যাতে সঠিক সময়ে অনুদান পান তা নিশ্চিত করা।
4
12
রাজ্য সরকারের নির্দেশে জেলায় জেলায় এই কাজ ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু হয়েছে। গ্রামগঞ্জের সাধারণ কৃষকদের সুবিধার্থে ব্লক কৃষি বিভাগের সহায়তায় পঞ্চায়েত এলাকায় বিশেষ শিবির করে নথি সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ চলছে।
5
12
ভেরিফিকেশনের জন্য কৃষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরকারি দপ্তরে বা বিশেষ শিবিরে জমা দিতে হবে।
6
12
লাগবে- ভোটার কার্ড ও আধার কার্ডের জেরক্স, ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স, ২০১৯ সালের পুরানো পর্চা এবং বর্তমান জমির পর্চা, এসআইআর বা কৃষক তালিকার স্ট্যাটাস।
7
12
প্রকল্পে কোনওরকম কারচুপি এড়াতে সরকারি স্তরে তথ্য মেলানোর কাজ কড়া নজরদারিতে হচ্ছে।
8
12
আবেদনকারীর জমা দেওয়া জমির তথ্য (খতিয়ান ও দাগ নম্বর) রাজ্য সরকারের 'বাংলারভূমি' পোর্টালের রেকর্ডের সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
9
12
কৃষকের আধার নম্বরের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক বা 'আধার সিডিং' সঠিকভাবে রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
10
12
কৃষকরা তাঁদের নিকটবর্তী ব্লক কৃষি আধিকারিকের কার্যালয়ে অথবা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে গিয়ে নথি জমা ও তথ্য যাচাই করতে পারেন।
11
12
এছাড়া গ্রাম এলাকার মানুষের সুবিধার্থে পঞ্চায়েত স্তরে যে বিশেষ শিবিরগুলি তৈরি করা হয়েছে, সেখান থেকেও এই প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে।
12
12
রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ, নির্ধারিত নিয়মাবলী মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কৃষকদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।