বাড়ির বিদ্যুৎ বিল হাতে পেলেই অনেকের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই প্রথম সন্দেহটা গিয়ে পড়ে ঘরের এসি-র ওপর। কিন্তু সত্যি কি কেবল এসি-ই একমাত্র কারণ? তথ্য বলছে অন্য কথা।
2
10
যেকোনও যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং বা ওয়াট এবং তা কতক্ষণ চলছে- এই দুইয়ের ওপর নির্ভর করে বিলের অঙ্ক। এসি-র কুখ্যাতি থাকলেও, আমাদের অজান্তেই ঘরে থাকা ছোট ছোট কিছু যন্ত্র নিঃশব্দে বিল বাড়িয়ে চলেছে।
3
10
শীত কিংবা বর্ষায় জল গরম করার গিজার (২০০০-৩০০০ ওয়াট) প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২ থেকে ৩ ইউনিট বিদ্যুৎ টানে। একটানা চালিয়ে রাখলে মাশুল গুণতেই হবে।
4
10
হেয়ার ড্রায়ার ও ইলেকট্রিক কেটলি- এই দুই যন্ত্রেরই ক্ষমতা প্রায় ১৮০০ থেকে ২২০০ ওয়াট। কয়েক মিনিটের ব্যবহার মনে হলেও, বিদ্যুৎ খরচ অত্যন্ত বেশি।
5
10
ইন্ডাকশন ও মাইক্রোওয়েভ- দ্রুত রান্নার এই আধুনিক যন্ত্রগুলি হাই ভোল্টেজের (প্রায় ২০০০ ওয়াট)। দীর্ঘ সময় ধরে এগুলিতে রান্না বা খাবার গরম করলে বিলে তার স্পষ্ট ছাপ পড়ে।
6
10
একটি ১.৫ টন এসি ঘণ্টায় ১.৫ থেকে ১.৮ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায়। ইনভার্টার এসি হলে ঘরের তাপমাত্রা জমে যাওয়ার পর খরচ আরও কমে। কিন্তু গিজার বা কেটলির মতো হিটিং যন্ত্রগুলি একটানা বেশি বিদ্যুৎ টানতে থাকে। ফলে অল্প সময়ের হিসেবে এগুলির খরচ এসি-কেও টেক্কা দিতে পারে।
7
10
এখন প্রশ্ন হল কীভাবে বিল কমানো যেতে পারে? কাজ শেষ হওয়া মাত্রই গিজার, কেটলি বা ওভেনের সুইচ বন্ধ করুন। অযথা চালিয়ে রাখবেন না।
8
10
এসি-র তাপমাত্রা সবসময় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখুন। ঘরের দরজা-জানালা ভালো করে বন্ধ রাখুন এবং নিয়মিত সার্ভিসিং করান।
সব দোষ এসি-র নয়। কোন যন্ত্র কত ক্ষমতার এবং তা কতটা সময় ধরে চলছে- আসল খেলাটা সেখানেই। একটু সাবধান হয়ে ব্যবহার করলেই আপনার মাসের বিদ্যুতের বিল নিয়ন্তণে থাকবে।