সারাদিনের ক্লান্তির পরেও আলো নিভিয়ে যথাসময়ে শুয়ে পড়েছেন বিছানায়৷ কিন্তু রাতে বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করেই কেটে যায় সময়৷ কিছুতেই ঘুম আসতে চায় না৷ এমন সমস্যা কি আপনার হয়?
2
10
প্রতিদিনের স্ট্রেস, অনিয়ম, স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাওয়া নানা কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে৷ তবে সারাদিন ধরে আপনার খাদ্যতালিকায় কী কী থাকছে তার উপর অনেকটাই নির্ভর করে রাতে ঘুম কেমন হবে৷ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে ঘুম ভাল হতে পারে৷
3
10
কাঠবাদামে আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, যা ভাল ঘুম হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকরী৷ আগের দিন রাতে পাঁচ- সাতটা কাঠবাদাম জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে৷ পরদিন সকালে এটা খেলে পেশি শিথিল হয় তাই ভাল ঘুম হতে পারে৷
কলার মধ্যে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম আর ট্রাইপটোফান৷ এই সমস্ত উপাদান ঘুম ভাল হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকরী৷ ম্যাগনেশিয়াম মেলাটোনিন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে৷ এটি গভীর ঘুম হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক৷ আয়ুর্বেদ মতে, কলা প্রাকৃতিক ভাবে মিষ্টি হওয়ায় এটা মনের অস্থিরতা দূর করে৷ তাই প্রতিদিন দুপুরে অথবা রাতে খাবার খাওয়ার পরে একটা করে কলা খেলে ঘুম ভাল হয়৷
6
10
রাতে অনেকেই এক গ্লাস উষ্ণ দুধ খেয়ে ঘুমোতে যান৷ দুধ শরীরকে শান্ত করতে কার্যকরী। দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে খেলে সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায় এবং স্ট্রেস দূর হয়৷
7
10
জায়ফল উষ্ণ দুধে মিশিয়ে খেলে ঘুম ভাল হয়৷ যাঁরা অনিদ্রায় ভোগেন তাঁদের জন্য এই খাবার বিশেষ কার্যকরী৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধের মধ্যে অল্প জায়ফল মিশিয়ে খেতে হবে৷
8
10
চেরি শরীরে পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখে৷ চেরির মধ্যে থাকা মেলাটোনিন ঘুমের জন্য বিশেষ কার্যকরী৷ প্রতিদিন সন্ধ্যায় এক বাটি চেরি খেলে ঘুম ভাল হতে পারে৷
9
10
খাবার কিন্তু খেলেই হবে না৷ সময় মতো খাবার খেলে তবেই উপকার পাওয়া যায়৷ তবে শুধু খাবার খেয়েই ঘুমের সমস্যা দূর হবে না৷ জীবনযাত্রাতেও কিছু বদল আনতে হবে৷ কী কী বদল আনবেন?
10
10
রাতের খাবার অনেক দেরি করে খাবেন না। দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা অবশ্যই করাতে হবে৷ ক্যাফিনযুক্ত খাবার বেশি খাবেন না৷ রাত জেগে মোবাইল বা ল্যাপটপ দেখবেন না৷