টানা ছয় সপ্তাহের পতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় শেয়ার বাজার। ইতিবাচক আন্তর্জাতিক সংকেতের জেরে বাজারে ফিরে এসেছিল ক্রেতাদের আগ্রহ, ফলে সপ্তাহজুড়ে সূচকগুলিতে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যায়। বিশেষ করে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশা তৈরি করেছে।
2
8
এই ইতিবাচক মনোভাবের পাশাপাশি দেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও বাজারকে শক্তি জুগিয়েছিল। ফলে শুধু বড় সংস্থার শেয়ার নয়, মাঝারি ও ছোট সংস্থার শেয়ারও ভালো পারফরম্যান্স করেছে। সামগ্রিকভাবে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল।
3
8
তবে সপ্তাহজুড়ে বাজারে অস্থিরতা কম ছিল না। সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত উত্থান দেখা গেলেও পরে কিছুটা লাভ তোলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবুও শেষ পর্যন্ত বাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল।
4
8
ফলস্বরূপ, প্রধান সূচক নিফটি এবং সেনসেক্স প্রায় ৬ শতাংশ করে বেড়ে সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তরের কাছাকাছি গিয়ে বন্ধ হয়েছে। নিফটি ২৪,০৫০.৬০ এবং সেনসেক্স ৭৭,৫৫০.২৫ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করে।
5
8
তবে বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার ফলে আগামী সপ্তাহে বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। বাজারের গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক খবরের ওপর, বিশেষ করে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলা আলোচনার ফলাফলের ওপর।
6
8
এই আলোচনা ভেস্তে গিয়ে বিশ্ববাজারে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা কমতে পারে, যা শেয়ার বাজারের জন্য নেতিবাচক হবে। অন্যদিকে, যদি উত্তেজনা আরও বাড়ে, তাহলে বাজারে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
7
8
এছাড়াও অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামাও বাজারকে প্রভাবিত করবে। তেলের দাম বাড়লে আমদানি খরচ বেড়ে যেতে পারে, যা ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
8
8
সব মিলিয়ে, বাজারে ইতিবাচক ইঙ্গিত থাকলেও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা জরুরি। পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে, তাই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।