ওয়াই-ফাই রাউটার এখন প্রত্যেকের ঘরে ঘরে। এটি আমাদের ঘরের এমন এক সদস্য, যাকে অন করার পর বন্ধ করার কথা আমরা ভুলেই যাই। কিন্তু একটানা চলতে চলতে হঠাৎই যেন ঝিমিয়ে পড়ে ইন্টারনেট।
2
13
কখনও স্পিড কমে যায়, তো কখনও আবার সংযোগই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রাউটারটি একবার ‘রিস্টার্ট’ বা বন্ধ করে চালু করলেই ম্যাজিকের মতো সব ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, ঠিক কতদিন পর পর এই রাউটার রিস্টার্ট করা উচিত?
3
13
রাউটারকে ছোটখাটো একটা কম্পিউটার বলাই চলে। এর নিজস্ব মেমোরি ও অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। তাই একটানা চললে এতেও কিছু সমস্যা দেখা দেয়। আবার রিস্টার্ট করলে ঠিক।
4
13
দীর্ঘদিন চলায় রাউটারের ‘ক্যাশে মেমোরি’-তে প্রচুর অপ্রয়োজনীয় তথ্য বা ডেটা জমা হয়। রিস্টার্ট করলে সেই সব আবর্জনা নিমেষেই পরিষ্কার হয়ে যায়।
5
13
ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অজস্র প্রসেস বন্ধ হয়। ফলে ইন্টারনেটের গতি বাড়ে এবং ‘ল্যাগ’ করা কমে।
6
13
বারবার ওয়াই-ফাই ডিসকানেক্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকলে, রিস্টার্টের পর সংযোগ অনেক বেশি জোরালো ও স্থিতিশীল হয়।
7
13
একটানা চললে যন্ত্রটি গরম হয়ে যায়। কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখলে ওভারহিটিংয়ের ঝুঁকি কমে।
8
13
রিস্টার্টের ফলে রাউটার অনেক সময় নতুন ও ফ্রেশ আইপি অ্যাড্রেস পায়, যা ইন্টারনেটের গতি ও নিরাপত্তা দুই-ই বাড়িয়ে দেয়।
9
13
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির ওয়াই-ফাই রাউটার মাসে অন্তত একবার রিস্টার্ট করা জরুরি। একবার বন্ধ করে চালু করলেই এর মেমোরি খালি হয়ে যায়, পুরনো ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসগুলি বন্ধ হয় এবং রাউটারটি একেবারে নতুন উদ্যমে কাজ করা শুরু করে।
10
13
এর সঠিক নিয়ম কী? অনেকেই রাউটারের পেছনের ছোট বোতাম টিপে রিস্টার্ট করেন, তবে এর চেয়েও সহজ ও কার্যকর উপায় আছে।
11
13
প্রথমে রাউটারের পাওয়ার প্লাগটি ওয়াল সকেট বা বোর্ড থেকে খুলে ফেলুন। এবার ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট অপেক্ষা করুন। এতে রাউটারের ভেতরের অবশিষ্ট বিদ্যুৎটুকুও পুরোপুরি বেরিয়ে যাবে।এরপর পুনরায় প্লাগটি বোর্ডে গুঁজে রাউটার চালু করুন।
12
13
আপনি যদি প্রতি মাসে নিয়ম করে এই কাজ করতে না চান, তবে রাউটারের নিজস্ব অ্যাপ বা সেটিংসে গিয়ে ‘অটোমেটিক রিবুট শিডিউল’ চালু করে রাখতে পারেন।
13
13
এর জন্য গভীর রাতের কোনও একটা সময় বেছে নিন, যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকেন। এতে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষতি না করেই রাউটার নিজে থেকেই রিস্টার্ট হয়ে যাবে।