দুবাইয়ের মরুভূমির বুকে মাথা তুলে আছে বিশ্বের উচ্চতম অট্টালিকা বুর্জ খলিফা। এটি কেবল স্থাপত্যই নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যায় এক বিস্ময়।
2
8
৮২ মিটার উঁচু এবং ১৬৩ তলার এই অট্টালিকাটি তৈরির নেপথ্যে রয়েছে অবিশ্বাস্য কিছু চ্যালেঞ্জ।
3
8
বালি ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় এখানে সাধারণ পদ্ধতিতে ভিত তৈরি করা অসম্ভব ছিল। তাই মাটির গভীরে ১৯২টি কংক্রিটের পাইল প্রায় ৪৩ মিটার পর্যন্ত নামানো হয়। এটি মূলত বালি ও মাটির সঙ্গে ঘর্ষণের মাধ্যমে ইমারতটির পুরো ভার বহন করে।
4
8
এর ওপর ৩.৭ মিটার পুরু ম্যাট ফাউন্ডেশনের আস্তরণ দিয়ে সেই ওজন সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
5
8
এত উঁচুতে প্রচণ্ড বাতাস সামলাতে টাওয়ারটির নকশা রাখা হয়েছে ‘ওয়াই’ (Y) আকৃতির। ‘বাট্রেসড কোর সিস্টেম’ নামের এই প্রযুক্তির সাহায্যে মাঝের অংশটি মেরুদণ্ডের মতো কাজ করে। এটি বাতাসের গতিপথকে ভেঙে দিয়ে ইমারতকে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রাখে।
6
8
দুবাইয়ের ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কংক্রিট যাতে ফেটে না যায়, সেজন্য মিশ্রণে বরফ মিশিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হতো। পাশাপাশি, সেলফ-ক্লাইম্বিং ফর্মওয়ার্ক প্রযুক্তির বদৌলতে মাঝে মাঝে প্রতি তিন দিনে একটি করে তলের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
7
8
এমনকী বিশেষ পাম্পিং সিস্টেমে প্রায় ৬০৬ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত কংক্রিট পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।
8
8
এটি ২০১০ সালে উদ্বোধন হয়৷ সেই সময় এই ইমারতের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বুর্জ খলিফা’। আর্থিক সঙ্কটের সময় দুবাইকে সাহায্য করায় আবুধাবির তৎকালীন শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রতি সম্মান জানাতেই এই নামকরণ করা হয়।