সামনের সোমবার যদি ছুটি নেন তাহলে শনি, রবি মিশিয়ে আর দোলের ছুটি অর্থাৎ মঙ্গলবার নিয়ে কাছেপিঠে কোথাও একটা থেকে ঘুরেই আসতে পারেন। চার দিনের ট্রিপ না হলেও ২-৩ দিনের জন্য তো যেতেই পারেন। এখনও কোনও প্ল্যানিং হয়নি? তাহলে জেনে নিন এই রঙের উৎসবের আবহে কোথায় যেতে পারেন। ছবি- সংগৃহীত
2
9
শান্তিনিকেতন: দোলে বেড়ানোর কথা হচ্ছে আর তাতে শান্তিনিকেতন থাকবে না হয়? কেবল বিশ্বভারতী নয়, খোয়াই, কোপাইয়ের ধারেও বর্তমানে জমিয়ে রং খেলা হয়। রবি ঠাকুরের আপন দেশে, রাঙা মাটির ধুলো মেখে ২-৩ দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। ছবি- সংগৃহীত
3
9
পুরুলিয়া: শান্তিনিকেতনের ভিড় এড়াতে চাইছেন? তাহলে গন্তব্য হতে পারে পুরুলিয়া। এই সময় এই রুখা প্রান্তর যেন আগুন রঙের হয়ে ওঠে। চারিদিকে পলাশ ফুটে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। ধামসা, মাদলের তালে এবারের দোল চাইলে এখানে কাটাতেই পারেন। ছবি- সংগৃহীত
4
9
দিঘা-মন্দারমণি: সমুদ্রের ধারেও চাইলে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে আসতে পারেন। আজকাল তো একাধিক রিসোর্টে হোলি খেলার আয়োজন করে। খোঁজ নিয়ে তেমন কোনও জায়গা বুক করে ঘুরে আসতে পারেন। সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে রং খেলা, এক অন্য রকম অনুভূতি হবে। ছবি- সংগৃহীত
5
9
বাঁকুড়া-জয়পুর ফরেস্ট: বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর কিন্তু মন্দ হবে না এই ছুটি কাটানোর জন্য। রাঙামাটি, পলাশ, টেরাকোটার কাজ, মন্দির মিশিয়ে ভালই কাটতে পারে সময়। ছবি- সংগৃহীত
6
9
ঝাড়গ্রাম: ছোট ঝর্না থেকে নদী, সাঁওতালি গ্রাম সবই আছে। ভিড় এড়িয়ে ধামসা, মাদলের তালে একান্তে ক'টাদিন কাটানোর গন্তব্য এটা হতে পারে। ছবি- সংগৃহীত
7
9
বারাণসী: একটু দূরে যেতে চাইছেন? বা অন্য ধরনের দোলের সাক্ষী থাকতে চাইছেন? তাহলে বারাণসী ঘুরে আসুন এই সময়। চিতা ভস্ম নিয়ে খেলা মাসান হোলি চাক্ষুষ করুন। ছবি- সংগৃহীত
8
9
বৃন্দাবন: আর ফুলের হোলি দেখতে চাইলে বা কৃষ্ণের জায়গায় গিয়ে এবারের দোল কাটাতে চাইলে মথুরা, বৃন্দাবন চলে যান। এই সময় ট্রেনের টিকিট পাওয়া তৎকাল ছাড়া অসম্ভব। তাই চাইলে গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। ছবি- সংগৃহীত
9
9
দার্জিলিং: যদি কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সাক্ষী রেখে এবার রং খেলতে চান তাহলে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ হতেই পারে। গাড়ি নিয়ে বা তৎকালে টিকিট কেটে কিংবা বাসে চেপে চলে যান। পাহাড়ে ঠান্ডা আবহে ক'টাদিন মনোরম কাটবে। ছবি- সংগৃহীত