২ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী। বিপদ যদি আপনার পিছু না ছাড়ে বা দীর্ঘ দিন ধরে কোনও মনের ইচ্ছে অধরা থেকে থাকে তাহলে এদিন এই সহজ টোটকা করুন। বজরংবলীর আশীর্বাদে বিপদ কেটে, পূরণ হবে ইচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত
2
9
হনুমান জয়ন্তীর দিন রামবাণ যন্ত্র বানালে হনুমানজির কৃপা আপনার উপর বর্ষিত হবেই। কী করতে হবে এর জন্য জেনে নিন। ছবি- সংগৃহীত
3
9
সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাতটা একত্রিশ মিনিটের মধ্যে এই টোটকা করে ফেলতে হবে। এর জন্য একটি সাদা কাগজ এবং লাল পেন লাগবে। ছবি- সংগৃহীত
4
9
এবার এই লাল পেন দিয়ে সাদা কাগজের উপর ৩/৩ খোপ অর্থাৎ মোট ৯ খোপের বক্স বানাতে হবে। এটির একদম উপরে রাম লেখা থাকতে হবে। ছবি- সংগৃহীত
5
9
এবার একদম উপরের সারির তিনটি খোপে আপনার জন্মদিন সাল সমেত লিখতে হবে। ধরা যাক আপনার জন্মদিন ১/১/১৯৯০। তাহলে আপনি প্রথম খোপে ০১ লিখবেন, দ্বিতীয় খোপে ০১। এবং প্রথম সারির তৃতীয় খোপে ১৯৯০ লিখবেন। একদম নিচের সারিতেও একই ভাবে এই সংখ্যাগুলি বসিয়ে দিন। ছবি- সংগৃহীত
6
9
আর মাঝে যে সারি ফাঁকা রইল তাতে তিনটি খোপে ১ লিখুন। অর্থাৎ ১-১-১ লিখবেন। এতেই তৈরি হয়ে গেল রামবাণ যন্ত্র। ছবি- সংগৃহীত
7
9
এবার হনুমান চলিশা থেকে "সংকট কাটে মিটে সব পীড়া/ জো সুমিরে হনুমত বলবীরা" লাইন দু'টো মনে পাঠ করতে করতে প্রতিটি সংখ্যাকে গোল করুন। ছবি- সংগৃহীত
8
9
এবার এর উপর ১১ টাকা রেখে কাগজটি ভাঁজ করুন। এবং সম্পূর্ণ শ্রদ্ধার সঙ্গে বজরংবলীকে স্মরণ করুন। তাকে জীবনের সমস্ত কষ্টের কথা জানান। কোনও মনের ইচ্ছে পূরণ করার থাকলে সেটাও বলে দিন। ছবি- সংগৃহীত
9
9
এবার কাছের কোনও হনুমান মন্দিরে গিয়ে বজরংবলীর দর্শন করে, তাকে প্রণাম করে এই কাগজ ওখানকার দানপাত্রে ফেলে দিন। এরপর আবার হনুমানজিকে নিজের মনের কথা জানিয়ে চলে আসুন।ছবি- সংগৃহীত