দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধের বিরতি। এর জেরে বিশ্ববাজারে প্রভাব। যুদ্ধের মেঘ কাটলে সোনার বাজারেও হাওয়া বদল হয়। এখন প্রশ্ন, আগামী দিনে সোনার দাম বাড়বে না কমবে?
2
10
যুদ্ধের সময় যখন চারিদিকে অনিশ্চয়তা থাকে, তখন বিনিয়োগকারীরা সোনাকেই সবচেয়ে নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু যুদ্ধ থামলে সেই উদ্বেগ কমে। তখন সোনা ছেড়ে শেয়ার বাজারে টাকা ঢালার প্রবণতা বাড়ে।
3
10
যুদ্ধ বন্ধ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের জোগান স্বাভাবিক হয়। একদিকে যেমন তেলের দাম কমে, অন্যদিকে তেমন সোনার দামেরও বড় বদল হয়।
4
10
আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ডলার শক্তিশালী হওয়া মানেই সোনার দরে টান পড়া। ফলে লগ্নিকারীদের নজর তখন ডলারের দিকেই ঘুরে যায়।
5
10
ভারত বা চিনের মতো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি গত কয়েক বছর ধরে সমানে সোনা কিনে চলেছে। যুদ্ধ থামলেও যদি ব্যাঙ্কগুলির এই সোনা মজুত করার নীতি বজায় থাকে, তবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম খুব একটা পড়বে না।
6
10
আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সুদের হার নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তার উপর সোনার ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করে।
7
10
বিশ্ববাজারে দাম যা-ই হোক, ভারতের বাজারে সোনার চাহিদা বরাবরই আলাদা। সামনেই উৎসব। পয়লা বৈশাখ। ফলস্বরূপ খুচরো চাহিদার চাপে এ দেশে সোনার দাম খুব বেশি কমার সুযোগ পাবে না।
8
10
যুদ্ধের আবহে যারা কম দামে সোনা কিনে রেখেছিলেন, শান্তি ফেরার ইঙ্গিত মিললেই তারা সোনা বিক্রি করে মুনাফা ঘরে তুলতে চাইবেন।
9
10
অনেক সময় যুদ্ধবিরতি হলেও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিয়ে চিন্তা থেকে যায়। লগ্নিকারীরা যদি মনে করেন এই শান্তি কেবলই সাময়িক, তবে তাঁরা চট করে সোনা বিক্রি করবেন না। কার্যত এই মানসিকতা সোনার দামকে একটি নির্দিষ্ট স্তরে ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
10
10
যুদ্ধ থামলে ভারতের বাজারে সোনার দর খুব দ্রুত সস্তা হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং থিতু হওয়ার পর তা ফের চড়তে শুরু করতে পারে।