যোনি থেকে মেছো গন্ধ? অবহেলা নয়, দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে মাথায় রাখুন এই কটা জিনিস
নিজস্ব সংবাদদাতা
১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০ : ১৭
শেয়ার করুন
1
5
মহিলাদের শরীর সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলা আজও অনেক সময়ে অস্বস্তিকর বলে মনে করা হয়। কিন্তু নিজের শরীরকে বোঝা ও তার যত্ন নেওয়া সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত। যোনি নারীর একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যার নিজস্ব স্বাভাবিক ছন্দ, গন্ধ ও পরিচ্ছন্নতার ক্ষমতা রয়েছে। তাই হঠাৎ কোনও পরিবর্তন বিশেষ করে দুর্গন্ধ, অস্বস্তি বা জ্বালা হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এই বিষয়গুলি নিয়ে সচেতন হলে অনেক সমস্যা আগেভাগেই এড়ানো সম্ভব।
2
5
নারীর যোনি নিজে থেকেই পরিষ্কার থাকার ক্ষমতা রাখে। হালকা একটি স্বাভাবিক গন্ধ থাকা একেবারেই স্বাভাবিক, এতে অস্বস্তির কিছু নেই। হঠাৎ যদি যোনি থেকে তীব্র উগ্র গন্ধ বেরোতে শুরু করে, তবে তা শরীরে কোনও সংক্রমণ বা হরমোনের গোলমালের ইঙ্গিত হতে পারে।
3
5
প্রতিদিন শুধুমাত্র বাইরের অংশ (ভালভা) হালকা গরম জল ও গন্ধহীন সাবান দিয়ে পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। যোনির ভিতরে কিছু ঢুকিয়ে পরিষ্কার করার দরকার নেই। সুতির অন্তর্বাস ও ঢিলেঢালা পোশাক পরলে ওই অংশ শুকনো থাকে এবং দুর্গন্ধের সম্ভাবনা কমে।
4
5
টয়লেট ব্যবহারের পর সামনে থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার করা খুব জরুরি, এতে মলদ্বারের জীবাণু যোনিতে ছড়ানোর আশঙ্কা কমে। পর্যাপ্ত জল পান করা ও চিনি-জাতীয় খাবার কম খেলে শরীরের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে। টক দই বা প্রোবায়োটিকও উপকারী হতে পারে।
5
5
যদি তীব্র গন্ধের সঙ্গে চুলকানি, জ্বালা বা অস্বাভাবিক স্রাব দেখা যায়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। অনেক সময় ওষুধ ছাড়া সমস্যার সমাধান হয় না। সুগন্ধি সাবান বা স্প্রে ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকাই ভালো। এগুলি যোনির স্বাভাবিক সহনশীলতা নষ্ট করে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।