আমাদের প্রায় সবারই এমন দিন আসে, যখন কাজ করার একদম ইচ্ছা করে না। কখনও ক্লান্তি, কখনও চাপ, আবার কখনও একঘেয়েমি বা কর্মক্ষেত্রের সমস্যার কারণে এই অনীহা তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অনুভূতি অস্বাভাবিক নয়। তবে বারবার এমন হলে কারণ খুঁজে বের করে তার সমাধান করা জরুরি।
2
14
যদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে কাজ করতে অসুবিধা হয়, তাহলে চিকিৎসা বা পেশাদার সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। আবার যদি সমস্যার মূল কারণ হয় কাজের পরিবেশ বা দায়িত্ব, তাহলে নিজের কাজের পরিস্থিতি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। তাই আপনার জন্য এমন কিছু দারুণ টিপস দেওয়া হল, যা কাজের প্রতি অনীহা কাটাতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
3
14
১. অসুবিধার কারণটি খুঁজে দেখুন
নিজেকে প্রশ্ন করুন—আজই কি শুধু কাজ করতে ইচ্ছা করছে না কি প্রায়ই এমন হয়? আপনি কি ক্লান্ত, মানসিক চাপের মধ্যে আছেন না কি কাজের পরিবেশে অসন্তুষ্ট? সমস্যার মূল কারণ বুঝতে পারলে সমাধানও সহজ হয়।
4
14
২. প্রয়োজনে ছুটি নিন
শরীর খারাপ থাকলে অসুস্থতার ছুটি নিন। আবার মানসিক ক্লান্তি থাকলে একটি ‘মেন্টাল হেলথ ডে’ নেওয়াও উপকারী হতে পারে। মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়া নতুন শক্তি এনে দিতে পারে।
5
14
৩. শরীরকে সচল রাখুন
হালকা ব্যায়াম, দৌড়ানো বা দ্রুত হাঁটা—এই ধরনের কাজ মন ভাল রাখতে, শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়াতে এবং মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
6
14
৪. কাজের জায়গা বদলান
সম্ভব হলে কাজের জায়গা পরিবর্তন করুন। অন্য ঘর, নতুন ডেস্ক বা কাছের কোনও ক্যাফেতে বসে কাজ করলেও মন দ্রুত সতেজ হতে পারে।
7
14
৫. সহজ কাজ দিয়ে শুরু করুন
কাজের চাপ বেশি মনে হলে ছোট ছোট কাজ দিয়ে দিন শুরু করুন। যেমন ই-মেল চেক করা বা মিটিং ঠিক করা। ধীরে ধীরে কঠিন কাজের দিকে এগোলে একটা গতি তৈরি হয়।
8
14
৬. নিয়মিত বিরতি নিন
দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে কাজ করলে ক্লান্তি বাড়ে। তাই প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৫–১০ মিনিট বিরতি নিয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।
9
14
৭. দৈনন্দিন রুটিন বদলান
সময়মতো ঘুম, স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ এবং নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে চলা সব কাজের —এই ছোট অভ্যাসগুলো কাজের শক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে পারে।
10
14
৮. কাজের লক্ষ্য মনে রাখুন
আপনি কেন কাজ করছেন—পরিবারের জন্য, ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য না কি নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য? লক্ষ্যগুলো মনে রাখলে অনুপ্রেরণা পাওয়া সহজ হয়। ছোট ছোট সাফল্য পাওয়ার পরে জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করাও ভাল অভ্যাস। মন ফুরফুরেও যা, আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।
11
14
৯. নিজের কাজ মূল্যায়ন করুন
যদি কাজের জায়গা, সহকর্মী বা প্রতিষ্ঠানের কারণে সমস্যা হয়, তাহলে পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরিকল্পনা করুন। প্রয়োজন হলে অন্য জায়গায় কথাও ভাবতে পারেন।
12
14
১০. ছুটির পরিকল্পনা করুন
একটি ছোট ভ্রমণ বা ছুটির পরিকল্পনা আপনাকে মানসিকভাবে সতেজ হতে সাহায্য করতে পারে। ভবিষ্যতের সেই সময়টির অপেক্ষাও অনুপ্রেরণা জোগায়।
13
14
১১. স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন
অকারণে ক্লান্তি বা অসুস্থতা থাকলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো ভাল। অনেক সময় শারীরিক সমস্যা থেকেই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়।
14
14
১২. মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন
মানসিকভাবে চাপ বা উদ্বেগ বেশি হলে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলাটা দারুণ উপকারী হতে পারে।