জোর করে মুখ মিলনের সময় ট্রাম্পের যৌনাঙ্গে মারণ কামড় নাবালিকার!
নিজস্ব সংবাদদাতা
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩ : ১১
শেয়ার করুন
1
6
বিল ক্লিনটনের পর এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প—যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ঘিরে ফের তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়াত ফিনান্সার জেফ্রি এপস্টিনকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত তদন্ত নথিতে উঠে এসেছে নতুন করে বিতর্কিত দাবি। একইসঙ্গে আলোচনায় এসেছে মার্কিন ধনকুবের বিল গেটসের যৌনরোগে সংক্রমিত হওয়ার খবরও।
2
6
এপস্টিনের বিরুদ্ধে যৌন পাচার ও নির্যাতন সংক্রান্ত তদন্তের ফাইল খতিয়ে দেখতে গিয়ে আগেও একাধিক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছিল। সাম্প্রতিক প্রকাশিত নথিতে দাবি করা হয়েছে, প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে নিউজার্সিতে এক নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তৎকালীন এক অভিযোগ এফবিআইয়ের কাছে জমা পড়েছিল, যেখানে অভিযুক্ত হিসেবে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা জানান, ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৩-১৪ বছর। তাঁর দাবি, তাঁকে মুখমৈথুনে বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রতিবাদ করায় শারীরিক হেনস্তার শিকার হতে হয়। একই ঘটনায় এপস্টিনের বিরুদ্ধেও নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়।
3
6
গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টিন-কেন্দ্রিক তদন্ত সংক্রান্ত লক্ষাধিক নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথির ভিত্তিতে নতুন করে মামলা গঠনের মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিচার বিভাগ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, “নথিতে বিপুল পরিমাণ ইমেইল, চিঠিপত্র ও ছবি রয়েছে, কিন্তু সেগুলো কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার মতো নয়।”
4
6
তবে বিচার বিভাগের পর্যালোচনা শেষ হলেও কংগ্রেসে তদন্ত থামেনি। প্রতিনিধি পরিষদ এপস্টিন সংক্রান্ত অনুসন্ধান এগিয়ে নিচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হয়েছে। রিপাবলিকানদের কংগ্রেস অবমাননার হুঁশিয়ারির পর তাঁরা হাজির হতে সম্মত হন।
5
6
এদিকে, এখনও কিছু নথি প্রকাশ না হওয়ায় সেগুলো সামনে আনার দাবিও জোরালো হচ্ছে। এপস্টিনের নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা এবং একাধিক কংগ্রেস সদস্য মনে করছেন, অপ্রকাশিত নথিতেই রয়েছে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
6
6
সব মিলিয়ে স্পষ্ট, এই অধ্যায় থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বিষয়টি সহজে ঝেড়ে ফেলা যাচ্ছে না। আপাতত ট্রাম্প এই বিতর্ক থেকে দৃশ্যত বড় কোনো রাজনৈতিক ক্ষতি ছাড়াই বেরিয়ে এসেছেন। কিন্তু যেসব ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্ষেত্রে এপস্টিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য নথিতে উঠে এসেছে—বিশেষত ২০০৮ সালে দণ্ডিত হওয়ার পরও যারা তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন—তাদের জন্য পরিস্থিতি মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়।