চাকরিজীবীদের জন্য EPF অ্যাকাউন্টের নমিনেশনের তথ্য সঠিক ও আপডেট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর PF-এর টাকা, পেনশন এবং বিমা সংক্রান্ত সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে নমিনেশনের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তাই পরিবারের পরিস্থিতিতে কোনও পরিবর্তন হলে EPFO-র নিয়ম মেনে ই-নমিনেশনের তথ্যও আপডেট করে নেওয়া প্রয়োজন।
2
10
অনেক কর্মী চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় নমিনির নাম নথিভুক্ত করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বিয়ে বা সন্তান হওয়ার পর সেই তথ্য আর পরিবর্তন করেন না।
3
10
ফলে ভবিষ্যতে PF সংক্রান্ত দাবি করার সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে অবিবাহিত অবস্থায় করা নমিনেশন পরে বিয়ে হলে নতুন করে আপডেট করা জরুরি।
4
10
কর্মীর পরিবার থাকলে সাধারণত পরিবারের যোগ্য সদস্যদেরই নমিনি হিসেবে উল্লেখ করতে হয়। বিবাহিত কর্মীর ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরা পরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হন।
5
10
অন্যদিকে, কোনও কর্মীর পরিবার না থাকলে নিয়ম অনুযায়ী অন্য ব্যক্তিকে নমিনি করা যেতে পারে। তবে পরে বিয়ে বা পরিবার তৈরি হলে আগের নমিনেশন আর কার্যকর থাকে না। তাই সেই পরিস্থিতিতে নতুন করে ই-নমিনেশন করা উচিত।
6
10
প্রথমে UAN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে EPFO সদস্য পোর্টালে লগইন করতে হবে। এরপর ‘Manage’ অপশনে গিয়ে ‘E-Nomination’ নির্বাচন করুন। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করার পর পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য যোগ করতে হবে।
7
10
নমিনির নাম, জন্মতারিখ, সম্পর্ক, আধার নম্বর এবং ঠিকানার মতো তথ্য দিতে হতে পারে। নমিনি নাবালক হলে তাঁর অভিভাবকের তথ্যও দিতে হবে।
8
10
এরপর PF-এর অর্থের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নমিনির অংশ নির্ধারণ করতে হবে। একাধিক নমিনি থাকলে তাঁদের মোট অংশ ১০০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন।
9
10
সব তথ্য সেভ করার পর আধার-ভিত্তিক ই-সাইন সম্পূর্ণ করতে হবে। আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা OTP দিয়ে প্রক্রিয়াটি শেষ করতে হবে। শেষে ‘Nomination History’ থেকে দেখে নিতে হবে ই-নমিনেশন সম্পূর্ণ হয়েছে কি না।
10
10
শুধু নমিনির তথ্য জমা করলেই প্রক্রিয়া শেষ হয় না। আধার-ভিত্তিক ই-সাইন সম্পূর্ণ করাও বাধ্যতামূলক। ই-সাইন না করলে নমিনেশন অসম্পূর্ণ থেকে যেতে পারে। তাই বিয়ে, সন্তান বা পরিবারের পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হলে EPF অ্যাকাউন্টের নমিনেশনের তথ্য দ্রুত আপডেট করে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।