২০২৬ সালে আবহাওয়া কেমন থাকবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা করেছেন আবহবিদরা। সেখান থেকেই দেখা গিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর বিশেষ কয়েকটি দিক দেখা গিয়েছে।
2
9
বিগত ৭৫ বছরের হিসেব অনুসারে বিশ্বের আবহাওয়াতে বিশেষ ধরণের পরিবর্তন এসেছে। প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থা সেখানে অনেকটা নির্ভর করে থাকে।
3
9
সাধারণত দেখা যায় এল নিনোর ফলে যে ধরণের পরিবেশ তৈরি হয় তাতে দেশের বিভিন্ন অংশে তাপমাত্রা অনেকটা হেরফের হয়ে থাকে। ফলে সেখানে দেশের বৃষ্টির প্রভাব অনেকটা থাকে।
4
9
অন্যদিকে যদি লা নিনার প্রভাব দেখা যায় তাহলে দেখা যায় সেখানে শীতের প্রভাব অনেকটা নির্ভর হয়। এখানেই উঠে এসেছে দুটি নাম রোনি এবং ওনি।
5
9
রোনির সঙ্গে এল নিনোর সম্পর্ক রয়েছে। এটি অতি দ্রুত নিজের কাজ শুরু করে। সেখানে বিভিন্ন দেশের ঝড়ের দিকটি এখানে অতি সহজেই ধরা পড়ে যায়।
6
9
অন্যদিকে রয়েছে ওনি। এটির সঙ্গে লা নিনার সম্পর্ক রয়েছে। কোন বছরে কত শীত পড়বে তার দিকেই নির্ভর করবে এর কাজ।
7
9
চলতি বছরে গরম ভালোই পড়বে। তবে বেশ কয়েকটি বড় ধরণের ঝড়ের আশঙ্কাও থাকছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে এই লিঙ্ক একভাবেই থাকছে।
8
9
অন্যদিকে শীতর সময় যদি বিচার করা হয় তাহলে সেখানেও থাকছে প্রবল সতর্কতা। কনকনে শীতের প্রভাবে কাঁপতে পারে ভারতবর্ষ সহ গোটা বিশ্ববাসী।
9
9
আসলে বিশ্ব উষ্ণায়নের দিক থেকে বিচার করলে আবহাওয়া প্রতিদিনই পরিবর্তন হয়ে থাকে। সেখানে এল নিনো বা লা নিনাও নিজের গতিপথে একভাবে চলবে সেটাও না হতে পারে।