আর মাত্র কয়েকদিন পরেই দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই, পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পুজো কমিটিগুলি। সরকারের তরফেও জোরকদমে পুজো প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
2
10
ইতিমধ্যেই, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করে দিয়েছেন, যে সমস্ত পুজো কমিটিগুলি সেভাবে প্রচলিত পুজো নয় বা সেভাবে বিজ্ঞাপন পায় না তাদের সরকারের তরফে ১ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।
3
10
তবে প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলিকে একটা কাজ করতেই হবে। প্রত্যেক পুজোর প্রশাসনিক অনুমতি থাকা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই, বিদ্যুৎ বিল ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের সাহায্য পেতে গেলে এই অনুমতি বাধ্যতামূলক।
4
10
পুজো কমিটিগুলির ব্যস্ততার মধ্যে এবার সুখবর। এই প্রশাসনিক অনুমতির জন্য আর ছুটোছুটি করতে হবে। সরকারের তরফে বৃহস্পতিবার থেকে চালু করে দেওয়া হয় ‘সহজ’ পোর্টাল।
5
10
প্রশাসনিক অনুমতির জন্য এই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। কলকাতার পুজো তো বটেই, জেলার পুজোগুলিকেও এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে।
6
10
বিশেষ করে যাদের ১ লক্ষ টাকার সরকারি অনুদান দরকার তাদের এই সহজ পোর্টালে আবেদন করতেই হবে। কারণ, অনুমতি না থাকলে ১ লক্ষ টাকা কেন, কোনও সরকারি সাহায্যই মিলবে না।
7
10
সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পোর্টালের মাধ্যমে প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরেই পুজো কমিটিগুলি রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষিত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবে।
8
10
পুজোর অনুমতির প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রতিটি থানায় একজন করে নোডাল অফিসার রাখা হয়েছে। নথি যাচাইয়ের পাশাপাশি ‘সহজ’ পোর্টালে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়েও সহযোগিতা করছেন তাঁরা।
9
10
অনলাইনে আবেদনের সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র পোর্টালে আপলোড করতে হবে। এর মধ্যে আগের বছরের প্রশাসনিক অনুমোদন-সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র রয়েছে। এই অনুমতি মিললে ১ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান পাওয়া যাবে।
10
10
১ লক্ষ টাকা অনুদানের জন্য কী কী নথি লাগছে? মূলত ৭টি নথি জমা দিতে হবে। পুজো কমিটির নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ক্যান্সেলড চেক, পুজো কমিটির নামে প্যান কার্ড, গত বছরের পুজোর পারমিশন, গত বছরের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেটের রশিদ, কমিটির পদাধিকারীদের তালিকা, তাদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং স্বাক্ষর সহ আবেদনপত্র।