১০৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর প্রাক্কালে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) তাদের দলের শক্তির এক অভাবনীয় খতিয়ান প্রকাশ করেছে। অর্গানাইজেশন ডিপার্টমেন্ট অফ দ্য সিপিসি সেন্ট্রাল কমিটির সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ দলের মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ১২ লক্ষ ৯০ হাজারে (১০১.২৯ মিলিয়ন)।
2
7
২০২৪ সালের তুলনায় এই সদস্য সংখ্যা ১ শতাংশ বা প্রায় ১০ লক্ষ ১ হাজারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের প্রাথমিক স্তরের সংগঠনের সংখ্যাও, যা বর্তমানে ৫.৪৩ মিলিয়নের গণ্ডি পার করেছে।
3
7
১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই দলটির অন্দরে শুধু সংখ্যাগতই নয়, গুণগত মান এবং বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রেও এক বড়সড় বদল এসেছে। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দলের ৫৯ শতাংশ সদস্যই এখন জুনিয়র কলেজ বা তার উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত, যা সংখ্যায় প্রায় ৫ কোটি ৯৭ লক্ষ ৬০ হাজার।
4
7
পাশাপাশি, দলে মহিলাদের অংশগ্রহণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১.৫ শতাংশে এবং জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব পৌঁছেছে ৭.৮ শতাংশে। তবে দলের মূল ভিত্তি হিসেবে এখনও শ্রমিক ও কৃষকদের আধিপত্যই সবচেয়ে বেশি, যা মোট সদস্য সংখ্যার প্রায় ৩২.৪ শতাংশ।
5
7
সিপিসি-র এই ঐতিহাসিক ১০৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে একটি বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠানো হয়েছে।
6
7
জানা যাচ্ছে যে, গত ২৬ জুন ২০২৬ তারিখে এই শুভেচ্ছা বার্তাটি পাঠানো হয়েছিল। অভিনন্দন বার্তায় সিপিআই(এম) চিনের এই অভাবনীয় অগ্রগতির প্রশংসা করে জানিয়েছে, কীভাবে সিপিসি-র নেতৃত্বে এককালের আধ-সামন্ততান্ত্রিক ও দারিদ্র্যপীড়িত চিন আজ অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ নেতায় পরিণত হয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে।
7
7
বর্তমানের অশান্ত ভূ-রাজনীতি এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার আবহে চিনের সমাজতান্ত্রিক উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক বিশ্ব ব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গিকে অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে আগামী দিনে দুই দেশের মানুষের শান্তি ও প্রগতির স্বার্থে এই মৈত্রী আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।