দেশজুড়ে ১ আগস্ট থেকে আদমশুমারির কাজ শুরু হয়েছে। ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সেল্ফ এনুমারেশনের কাজ চলেছে। ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার কাজ।
2
9
আপাতত প্রথম দফার কাজ চলছে। দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হবে ২০২৭ সাল থেকে। জনগণনার জন্য নাগরিকদের ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রথমে তালিকায় ৩৩টি প্রশ্ন ছিল।
3
9
জনগণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারগুলিকে এই প্রশ্নগুলি করবেন। এই সংগৃহীত তথ্য সরকারকে দেশের জনসংখ্যা, জীবনযাত্রার অবস্থা এবং আর্থ-সামাজিক কাঠামো বুঝতে সাহায্য করবে।
4
9
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেউ যদি এই ৪০টি প্রশ্নের কোনওটির ভুল উত্তর দেন তাহলে কী হবে? হাজতবাসের সম্ভাবনা আছে কি? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
5
9
১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইন অনুযায়ী, সঠিক তথ্য প্রদান করা আইনগত বাধ্যবাধকতা। আইনের ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, জনগণকে আদমশুমারি আধিকারিকদের জিজ্ঞাসা করা নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
6
9
আদমশুমারির তথ্য ভুল থাকলে, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য জনসেবা সম্পর্কিত বিষয়ের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল উত্তর দেওয়া একটি ছোট অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
7
9
জনগণনা আইনের ১১ নং ধারায় জনগণনার কাজ-সম্পর্কিত কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। এই আইনের অধীনে অপরাধভেদে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
8
9
আইন শুধু সাধারণ নাগরিকদের উপরই প্রযোজ্য নয়। জনগণনা যাঁরা করতে যাবেন তাঁদের কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
9
9
যদি কোনও গণনাকারী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনও পরিবার থেকে প্রাপ্ত সঠিক তথ্য পরিবর্তন করে ফর্মে বা সিস্টেমে ভুল তথ্য দেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে।