ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এখন শুধু একটি প্রয়োজন নয়, বরং আপনার সম্পূর্ণ আর্থিক পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে। বেতন আসে, ইএমআই কাটা হয়, সরকারি টাকা পাওয়া যায়, সবকিছুই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই অনেকেই একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন। কিন্তু আসল প্রশ্ন হল, আপনি কি ইচ্ছামতো যত খুশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন?
2
6
একজন ব্যক্তি ইচ্ছামতো যত খুশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। আরবিআই এ বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেনি। তবে, বেশি অ্যাকাউন্ট মানেই বেশি দায়িত্ব। সাধারণত দু-তিন'টে অ্যাকাউন্টই যথেষ্ট হয়। একটি বিষয় বুঝে রাখা জরুরি যে, বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রাখা ভুল নয়, তবে সেগুলো ম্যানেজ করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
3
6
সত্যিই কি কোনও সীমা নেই? আরবিআই নির্ধারণ করেনি যে, একজন ব্যক্তি কতগুলো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।অর্থাৎ, আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। তবে বেশি অ্যাকাউন্ট মানেই বেশি নিয়ম ও দায়িত্বও বহন করতে হয়।
4
6
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কেন এত জরুরি হয়ে উঠেছে? আজ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়া জীবন প্রায় অসম্পূর্ণ মনে হয়। বেতন সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। সরকারি প্রকল্পের টাকা পাওয়া যায়। অনলাইন পেমেন্ট ও ইউপিআই এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।
5
6
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কত ধরনের হয়? আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট থাকে, যেমন- সেভিংস অ্যাকাউন্ট- সাধারণ মানুষের জন্য, এতে সুদ পাওয়া যায়। স্যালারি অ্যাকাউন্ট- চাকরিজীবীদের জন্য, সাধারণত জিরো ব্যালেন্স থাকে। কারেন্ট অ্যাকাউন্ট- ব্যবসার জন্য, বেশি লেনদেনের সুবিধা থাকে। জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট: পরিবার বা পার্টনারের সঙ্গে যৌথভাবে খোলা হয়। প্রতিটি অ্যাকাউন্টের আলাদা কাজ ও সুবিধা রয়েছে।
6
6
বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রাখলে কী সমস্যা হতে পারে? প্রথমে দেখে মনে হতে পারে বেশি অ্যাকাউন্ট ভাল, কিন্তু বাস্তবে এতে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে মিনিমাম ব্যালেন্স রাখতে হয় (কিছু ব্যাঙ্কে এখনও বাধ্যতামূলক) মিনিমাম ব্যালেন্স না রাখলে জরিমানা (পেনাল্টি) দিতে হয়। ডেবিট কার্ড ও মেইনটেন্যান্স চার্জ আলাদা করে কাটা হয়। ফলে ধীরে ধীরে আপনার সঞ্চয় কমতে শুরু করে।