ভারতে ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশনের জন্য আরও কঠোর নিয়মকানুন কার্যকর হতে চলেছে।
2
10
সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ গত মাসে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর আইনে পরিণত হয়েছে।
3
10
কেন্দ্রের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই আইনে জন্ম ও মৃত্যুর বিলম্বিত রেজিস্ট্রেশনের জন্য নিয়মকানুন আরও কঠোর হবে।
4
10
জন্ম বা মৃত্যুর দু’বছর ও বেশি সময় পরে করা আবেদনগুলির জন্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপ বাধ্যতামূলক।
5
10
নতুন আইনে বিলম্বিত রেজিস্ট্রেশনের আইনগুলিকে আরও কঠোর করার লক্ষ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ১৯৬৯ (২০২৩ সালে সংশোধিত)-এর ধারা ১৩(৩) সংশোধন করেছে কেন্দ্র।
6
10
নতুন আইন অনুযায়ী, জন্ম বা মৃত্যুর এক বছর পর কিন্তু দু’বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য করা আবেদনগুলোর ক্ষেত্রেও ডিএম, এসডিএম বা একজন ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের প্রয়োজন হবে।
7
10
আইনে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফি প্রদানের পর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে আধিকারিককে অবশ্যই আবেদনের সত্যতা যাচাই করতে হবে।
8
10
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং সেই সংক্রান্ত বিষয়ের নিয়ম তৈরির জন্য ১৯৬৯ সালের জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন আইন তৈরি হয়েছিল।
9
10
এই আইন অনুসারে জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক এবং এই আইনের অধীনে প্রদত্ত সার্টিফিকেট আইনি পরিচয় প্রদান করে।
10
10
কোনও ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু প্রমাণ করার জন্য জন্ম বা মৃত্যু শংসাপত্র প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ২০২৩ সালে আইনটি সংশোধিত হয় এবং সেই বছরের ১ অক্টোবর থেকে সংশোধিত আইনের ধারাগুলি কার্যকর হয়।