চারদিকে বরফের পাহাড়। চরম শৈত্যপ্রবাহে জলের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ যুগের পর যুগ বরফের পাহাড়ের মাঝেই রয়েছে 'রক্ত জলপ্রপাত'।
2
9
একনজরে দেখলে মনে হবে, বরফের পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে। এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত আন্টার্কটিকায়।
3
9
আন্টার্কটিকার ম্যাক মারডো শুষ্ক উপত্যকায় উঁচু এই জলপ্রপাতটি ১৯১১-তে আবিষ্কার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ভূতত্ত্ববিদ গ্রিফিথ টেলর।
4
9
স্থানীয়রা একে বলেন 'ব্লাড ফলস'। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে এখনও এই জলপ্রপাত ঘিরে রহ্যস্য রয়েছে। যে ধোঁয়াশা কাটেনি বিজ্ঞানীদের।
5
9
ইউনিভার্সিটি অব আলাস্কা এবং কলোরাডো কলেজের এক দল গবেষক ব্লাড ফলস-এর উৎসস্থল নিয়ে খোঁজ শুরু করেন। দীর্ঘ কয়েক বছর গবেষণার পর জানা যায় এর উৎসস্থল।
6
9
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ব্লাড ফলস-এর মূল উৎসস্থল হল নোনা জলের হ্রদ। যেটা ৫০ লক্ষ বছর ধরে টেলর হিমবাহের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে।
7
9
রেডিও-ইকো সাউন্ডিং প্রযুক্তির সাহায্য এই নোনা জলের হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। হিমবাহের নীচে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠানো হয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রযুক্তির সাহায্যে জানা গেছে হিমবাহের নীচে বিশাল হ্রদের অস্তিত্ব রয়েছে।
8
9
কিন্তু এই জলপ্রপাতের রং লাল কেন? বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হ্রদের জলে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। এই জল অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসেই লাল টুকটুকে হয়ে যায়।
9
9
এমনকী এই জলে প্রচুর পরিমাণে নুন রয়েছে। আয়রন ও নোনা জলের কারণে চরম শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে জল জমে বরফ হয় না।