অন্নপূর্ণা যোজনা রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন।
2
12
১ জুন থেকে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। ৩ জুলাই প্রথম দফায় ২৭ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছিল। ১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে ১.১ কোটি অ্যাকাউন্টে।
3
12
দ্বিতীয় দফায় টাকা স্থানান্তরের পরে জানা গিয়েছে, প্রায় ২৮ লক্ষ আবেদনকারীর নাম বাদ গিয়েছে। এরপরেই নানা জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলারা। তাঁদের দাবি, একাধিক বার আবেদন করেও তাঁরা টাকা পাননি।
4
12
এরপরেই রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে সেই সকল মহিলাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে যাঁরা টাকা পাননি। রাজ্যের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যোগ্য আবেদনকারীদের একজনকেও বাদ দেওয়া হবে না।
5
12
রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, যে সকল আবেদন বাতিল হয়েছে বা যাঁদের আবেদন এখনও ‘আন্ডার এনকোয়েরি’ রয়েছে, তাঁদের আবেদন পুনরায় যাচাই করা হবে।
6
12
জানা গিয়েছে, যে সকল মহিলার আবেদন বাতিল হয়েছে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সরকারি আধিকারিকরা সরাসরি তথ্য ও নথি যাচাই করবেন।
7
12
আবেদনে দেওয়া তথ্য, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্কের বিবরণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করে দেখা হবে কেন আবেদনটি বাতিল হয়েছে। যাচাইয়ে আবেদনকারী যোগ্য বলে প্রমাণিত হলে তাঁকে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
8
12
রাজ্যের তরফে সকল সরকারি কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফিল্ড ভেরিফিকেশনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। বাতিল এবং ‘আন্ডার এনকোয়েরি’ আবেদনগুলিকেও যাচাই করতে হবে।
9
12
এছাড়াও অফলাইনে এবং জনকল্যাণ শিবিরে জমা পড়া আবেদনগুলিকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ডিজিটাইজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারি কর্মীদের।
10
12
প্রশাসনের তরফে মহিলাদের আতঙ্কিত না হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, যদি কারও আবেদন বাতিল হয়েও থাকে, যাচাইয়ের পর যদি তাঁরা যোগ্য প্রমাণিত হন তাহলে টাকা পাবেন।
11
12
ফিল্ড ভেরিফিকেশনের সময় কোন কোন নথি রাখতে হবে সঙ্গে? রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে যে, বাতিল বা ‘আন্ডার এনকোয়েরি’ আবেদনকারীদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি, মোবাইল নম্বর-সহ প্রয়োজনীয় নথি কাছে রাখতে হবে যাচাইয়ের জন্য।
12
12
এমনও অভিযোগ উঠেছে যে, নামের বানানে সামান্য ভুল, কেওয়াইসি সংক্রান্ত ত্রুটি বা নথিগত অসঙ্গতির কারণে অনেক যোগ্য আবেদনকারীর ফর্মও বাতিল বা ‘আন্ডার এনকোয়েরি’ অবস্থায় চলে গিয়েছে। রাজ্যের দাবি, এই কারণেই পুনরায় যাচাই প্রক্রিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।