বিশ্ব জুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে মাতামাতি গোটা পৃথিবীতে। তাবড় তাবড় প্রযুক্তি সংস্থা এআই-এর জন্য কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চলেছে। এআই-এর মডেলগুলিকে প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন ডেটা সেন্টার। ২০২৫-২৬ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে একটি এআই ডেটা সেন্টার প্রতিদিন ২০ লক্ষ লিটার জল ব্যবহার করতে পারে।
2
5
সমীক্ষায় সতর্ক করা হয়েছে, ভারতে ডেটা সেন্টারের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে মিষ্টি জলের ভান্ডারের উপর চাপ পড়বে। রোজ বিপুল পরিমাণ জল ব্যবহারের ফলে জলসঙ্কট দেখা দিতে পারে। রোজ এই বিপুল পরিমাণ জলের প্রয়োজন ডেটা সেন্টারগুলিকে ঠান্ডা রাখতে।
3
5
সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে সার্ভারগুলিকে ঠান্ডা রাখার জন্য ডেটা সেন্টারগুলি প্রতি বছর আনুমানিক ৫৬,০০০ কোটি লিটার জল ব্যবহার করে। ভারত বিশ্বের ২০ শতাংশ ডেটা তৈরি করলেও, বর্তমানে বিশ্বের মোট ডেটা সেন্টারের মাত্র ৩ শতাংশ ভারতের দখলে রয়েছে।
4
5
সমীক্ষায় সতর্ক করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টারগুলোর সম্প্রসারণ ভারতের সীমিত ভূগর্ভস্থ ও মিষ্টি জলের ভাণ্ডারের উপর অত্যধিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মার্ক পি. মিলসকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, একটি রকেট উৎক্ষেপণে যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহৃত হয়, তা প্রতিদিন মাত্র একটি এআই-সমৃদ্ধ ডেটা সেন্টার দ্বারাই ব্যবহৃত হয়।
5
5
এআই পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ বিদ্যুৎ ও জলের মতো অপরিহার্য সম্পদের উপর নির্ভরশীল। সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশাল ডেটা সেন্টারগুলির উচ্চ জল ও বিদ্যুতের খরচ এড়াতে ভারতের স্থানীয় হার্ডওয়্যারে চালিত ‘ছোট মডেলগুলির’ উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।