অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের দাবি ঘিরে কেন্দ্রীয় কর্মী সংগঠনগুলির মধ্যে নড়াচড়া জোরদার হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মচারী ফেডারেশন ও ইউনিয়ন শীঘ্রই যৌথ বৈঠকে বসবে বলে জানা গিয়েছে।
2
10
বেতন বৃদ্ধি, পেনশন কাঠামো এবং মহার্ঘ ভাতা সংশোধনসহ একাধিক বিষয়ে ঐক্যমত গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে। লক্ষ্য হল সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট দাবি-পত্র পেশ করা, যাতে অষ্টম বেতন কমিশন ঘোষণা ও তার কার্যকরী বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।
3
10
কর্মচারী সংগঠনগুলির দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার পর থেকে গত কয়েক বছরে মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার খরচ লাগাতার বেড়েছে। এটি চলতি বেতন কাঠামোতে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
4
10
কর্মচারী সংগঠনগুলির দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার পর থেকে গত কয়েক বছরে মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার খরচ লাগাতার বেড়েছে। এটি চলতি বেতন কাঠামোতে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
5
10
এছাড়া, পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও ডিএ ও চিকিৎসা ভাতা সংক্রান্ত একাধিক দাবি উঠেছে। বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর মতে, বর্তমান পেনশন কাঠামো মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়, ফলে ক্রমশ আর্থিক সংকট বাড়ছে।
6
10
কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় পেনশন সিস্টেম নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে একাধিক রাজ্যের মতামত বিবেচনা করছে। তবে কর্মী সংগঠনগুলি পুরাতন কাঠামো পুনর্বহালের পক্ষেও যুক্তি তুলে ধরছে।
7
10
কর্মী সংগঠনগুলির এই উদ্যোগের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বও রয়েছে। সাধারণত প্রত্যেক দশ বছর অন্তর নতুন বেতন কমিশন গঠিত হয় এবং সেই প্রক্রিয়া অনুসারে এবার অষ্টম কমিশন ঘোষণার সময় ঘনিয়ে এসেছে।
8
10
যদিও কেন্দ্র এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা করেনি। কর্মীদের আশা—আলোচনা শুরু হলে বেতন বৃদ্ধি, ডিএ পুনর্বিবেচনা ও বোনাস কাঠামোর উন্নতি নিয়ে এগোনো সম্ভব হবে।
9
10
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন কমিশন গঠন হলে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে, যা রাজস্ব নীতি ও রাজ্য-কেন্দ্র সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কর্মীরা বলছেন, এটি শুধুমাত্র খরচ বৃদ্ধি নয়, বরং জনবল ধরে রাখা, উৎপাদনশীলতা ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।
10
10
এখন নজর থাকবে আগামী বৈঠকে, যেখানে সংগঠনগুলি কী ধরনের চূড়ান্ত দাবি নির্ধারণ করে এবং পরবর্তী পর্যায়ে সরকার সেই দাবি কতটা গ্রহণ করে। কর্মীদের প্রত্যাশা, অষ্টম বেতন কমিশন দ্রুত ঘোষণা হবে এবং বাস্তবে তাদের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হবে।