গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক৷ ইমেইল মারফত পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছিলেন কোয়েল। কিন্তু কোয়েলের ইস্তফাপত্র আদৌ গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা।
কিন্তু উপরাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জানানো হয়েছে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে পদত্যাগপত্র দেওয়ার জন্য। আজ এখনও পর্যন্ত দেখা করতে চেয়ে ভিপি হাউসে কোনও সাক্ষাতের সময় চাননি কোয়েল।
কোয়েলকে এর আগে কখনও প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মন্তব্য করতে দেখা যায়নি৷ ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে যখন হঠাৎ এপ্রিল মাসে তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যেতে রাজি হয়েছিলেন কোয়েল তখন অনুরাগী থেকে ঘনিষ্ঠমহল বিস্মিত হয়েছিলেন সকলে৷
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল৷ তালিকায় বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে নাম ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের৷
প্রার্থিতালিকা ঘোষণার কয়েকদিন আগে কোয়েলের বাবা রঞ্জিত মল্লিকের ভবানীপুরের বাড়িতে গিয়েছিলে অভিষেক ব্যানার্জি। এরপর এপ্রিল মাসে কোয়েল দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথগ্রহণ করেন৷
শপথ নিয়ে অভিনেত্রী বলেছিলেন, " অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তা নয়। এটা একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা। এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না৷ সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।"
মেয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পর বাবা রঞ্জিত মল্লিকের বক্তব্য ছিল," কোয়েল বড় হয়েছে৷ বুঝদার মেয়ে৷ ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই৷ খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে৷ এক্ষেত্রেও তেমনই করবে৷ বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি৷ সৎ পথে থেকে ভাল কাজ করুক, এটুকুই চাওয়া। "
তবে এখন তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে৷ তৃণমূলের বিদ্রোহীদের দলে কি নাম লেখাবেন কোয়েল? নাকি রাজনীতির সঙ্গে তৈরি করবেন দূরত্ব? সেই উত্তর দেবে সময়৷
















