অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উঠল আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ। ১ কোটি ৫ লক্ষ্য টাকা তছরুপের দাবি আনা হয়েছে অভিনেতার বিরুদ্ধে। কৌশিক কর্মকার নামের এক ব্যক্তি চারু মার্কেট থানায় সোহমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে খবর। জানা যাচ্ছে, একটি ছবি তৈরির জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন সোহম। কিন্তু সেই ছবি আর তৈরি হয়নি। জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।‌ আজকাল ডট ইন-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল সোহমের সঙ্গে, তবে কোনও উত্তর আসেনি অভিনেতার পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন সোহম। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সোহম অনুরোধ জানিয়েছিলেন, তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সুরক্ষার দায়িত্ব যেন নেন শুভেন্দু অধিকারী৷ 

এই বিষয়ে অভিনেতা বলেছিলেন, "২০১৮ সালে একটি ছবি করার কথা হয়েছিল৷ তৃণা ফিল্মস-এর কর্ণধার তরুণ দাসের সঙ্গে ফোনে কথা বা দেখা হয়নি বলে জানান সোহম৷ ইপি অমিতাভ মুখার্জি এবং পরিচালক মহুয়া চক্রবর্তী এসেছিলেন গল্পটি বলেন৷ আমার পছন্দ হওয়ায় আমি কাজ করব জানাই এবং মহুয়া তখন প্রযোজকের তরফে ১৫ লক্ষ টাকার একটা চেক আমাকে দিয়েছিলেন৷ কিন্তু ছবিটা আর হয়নি৷  এর জন্য আমাকে অন্য ছবি বাতিল করতে হয়েছে৷" 

সোহম আরও বলেন,"মহুয়া কিছুদিন পর জানায়, মহুয়া এই ছবি আর পরিচালনা করবেন না৷ হঠাৎ দু'দিন আগে প্রযোজক হুমকি দেন যে তাঁকে ১৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে হবে৷ সোহম প্রযোজককে তাঁর বাড়িতে ডেকে পাঠান৷ প্রযোজক আসেন এবং বলেন সোহম ডেট না দেওয়ার জন্য ছবিটা করা যায়নি৷" 

সোহম আরও বলেন, "আমি এতবড় স্টার নই যে ২ বছর ধরে আমার ডেট থাকবে না৷ কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়৷ আপনি ছবি করলে আমি কাল থেকেই কাজ শুরু করব৷ আমি মহুয়া চক্রবর্তীকেও ফোন করি। তিনিও বলেন যে আমার জন্য সমস্যা হয়নি৷ তারপরেই প্রযোজক হুমকি দেন গুলি করে উড়িয়ে দেবেন৷ এবং আরও নানা অশালীন কথা বলেন, এরপর উনি বেরিয়ে যান৷ অন্য নম্বর থেকে কিছুক্ষণ পরে ফোন করে বলেন, লড়াইটা শুরু করে ঠিক করলেন? এরপর প্রযোজক রূপা গাঙ্গুলি আর শুভেন্দু অধিকারীর নামও করেন৷" এর মাঝেই আবার নতুন জটিলতায় জড়ালেন অভিনেতা।