গত বছর পর্যন্ত ২১ জুলাই-এর মঞ্চে আলো করে থাকতেন টলি তারকারা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ডান-বাঁয়ে দেখা যেত বহু পরিচিত থেকে নতুন মুখকে। কিন্তু এবার গ্রাফটা একটু অন্যরকম। দলীয় রাজনীতির হিসাবনিকাশ বদলে গিয়েছে। তাই কি বদলেছে টলিউডের তারকাদের মনও? এই বছর মমতা ব্যানার্জির ডাকে ২১-এর মঞ্চে কি দেখা যাবে চেনা কাউকে?
আজকাল ডট ইন-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্রর সঙ্গে। গত বছর 'ঘর ওয়াপসি' হয়েছিল তাঁর। কিন্তু এর মধ্যেই 'ঘর' ছেড়ে দিচ্ছেন বলে ঘোষণা করেছিলেন রূপাঞ্জনা। জানিয়েছিলেন, রাজনীতিতে আর সক্রিয়ভাবে জড়িত নন তিনি। ২১-এর মঞ্চে দেখা যাবে কিনা সেই প্রসঙ্গ উঠতেই অভিনেত্রী বলেন, "আগে একটা বিশেষ কারণে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু এই বছর তো বলাই হয়েছে শিল্পীরা নাকি নাচ-গান করতে যান ওখানে। তাই এতটা অমর্যাদা যখন, তখন শিল্পীরা আর থেকে কী করবে? ২১ জুলাই, শহীদ দিবসের একটা অন্য ইতিহাস আছে। রাজনৈতিক সিম্বলের বাইরে গিয়েও এর গুরুত্বটা অনেকেই জানেন না। আমার কাছে এখনও কোনও দল থেকেই ডাক আসেনি। আমার মনে হয় শহিদ দিবস পালনের জন্য রাজনৈতিক মঞ্চে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।"
বনি সেনগুপ্তকে মমতা ব্যানার্জির দলের হয়ে প্রচারে বহুবার দেখা গিয়েছে। তাঁর কথায়, "কয়েক বছর আগে আমায় একবার ডাকা হয়েছিল ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে। তারপর আর ডাক পাইনি। যদিও এর কারণ আমার জানা নেই। হ্যাঁ, বেশ কয়েকবার প্রচারে দেখা গিয়েছে। সেটা তো অনেককেই দেখা যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি এইগুলো থেকে দূরে থাকতেই চাই। তাই মনে হয় না এ বছর ডাক পেলেও যাব বলে।"
অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত বলেন, "আমি প্রাক্তন সরকারের আয়োজিত অনুষ্ঠানে গিয়েছি। কিন্তু ২১-এর মঞ্চের ডাক পাইনি কখনও। আমার কাছে ধারণাগুলো খুব স্পষ্ট। আমি তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে ডাক পেয়েছি, পুরস্কার পেয়েছি এটাই আমার কাছে অনেক। আমি কোনও দল দেখে যাইনি। বর্তমান সরকার যদি আমায় কোনও অনুষ্ঠানে ডাকেন, আমার কাজের জন্য সম্মানিত করেন, তাহলে সেটাও প্রাপ্তি হবে।"
অন্যদিকে, অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, তাঁর পক্ষ থেকে কোনও জবাব আসেনি। আর অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তিনি এই মুহূর্তে রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত জানাতে নারাজ।
















