বলিউডের 'সুপারস্টার' রাজেশ খান্নাকে নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলির ব্যাবহার এবং খামখেয়ালিপনা নিয়ে এক অজানা ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন অনিতা আদবানি। তাঁর দাবি, রাজেশ খান্না যখন জানতে পেরেছিলেন যে তিনি নিজের বাবা-মায়ের সন্তান নন, বরং দত্তক নেওয়া—তখন তাঁর মনে আঘাত লেগেছিল। এই সত্যিটা তাঁর মনে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনিতা জানান, অনেকেই অভিনেতার শেষ বয়সের স্বভাব নিয়ে নানা কথা বলেন। কিন্তু এর আসল কারণটা অনেকেরই অজানা। ১৯৪২ সালে অভিনেতাকে নিঃসন্তান দম্পতি চুনীলাল ও লীলাবতী খান্না নিজেদের সন্তানের মতো বড় করে তুলেছিলেন। কিন্তু বেশ কিছু বছর পরে এসে যখন এই সত্যিটা তাঁর সামনে আসে, তখন তিনি মানসিকভাবে আর স্বাভাবিক থাকতে পারেননি। ভিতরের আত্মবিশ্বাসটা যেন পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল।
অনিতার কথায়, ছোটবেলার ওই ধাক্কা এবং পরবর্তীতে কেরিয়ারের উত্থান-পতনের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনে বারবার প্রতারিত হওয়ার অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে মানুষের ওপর থেকে ভরসাটাই হারিয়ে ফেলেছিলেন অভিনেতা। চারপাশের সবার মধ্যেই এক ধরণের সন্দেহ তৈরি হয়েছিল তাঁর। নিজের পরিবারের সঙ্গেও কোনোদিন গভীর কোনও মানসিক টান তৈরি হয়নি। একবার তো তাঁর এক বোন দেখা করতে আসায় তিনি চিনতেই পারেননি বলে দাবি করা হয়েছে।
এক সময় রূপোলি পর্দায় পরপর ১৫টি হিট ছবি দিয়ে ইতিহাস গড়া সেই মানুষটার ব্যক্তিগত জীবন যে এত শূন্যতায় ভরা ছিল, তা অনেকেরই অজানা। সম্প্রতি অনিতার এই সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে।
















