বিয়ের তারিখ বলে দিলেন রশ্মিকা? 

দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর অবশেষে কি সত্যি হতে চলেছে সেই বহু চর্চিত সম্পর্ক? দক্ষিণী ও বলিউড ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত জুটি বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দনা নাকি চলতি মাসেই সাতপাকে বাঁধতে চলেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে, রাজস্থানের উদয়পুরেই হবে তাঁদের রাজকীয় বিয়ে।যদিও অক্টোবর ২০২৫-এ বাগদানের খবর ফাঁস হওয়ার পরও এই তারকা জুটি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি, তবে সাম্প্রতিক এক পাপারাজ্জি মুহূর্তে রশ্মিকার প্রতিক্রিয়াই নতুন করে আগুনে ঘি ঢেলেছে।

ডিসেম্বর মাসে দম্পতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছিল, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ে হতে চলেছে। বিয়ের পর হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য একটি রিসেপশন দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি দু’জনের কেউই। তবে বিমানবন্দরে রশ্মিকাকে দেখার পর পাপারাজ্জির সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই চর্চা তুঙ্গে। ভিডিওতে দেখা যায়, রশ্মিকা হাসিমুখে অনুরাগীদের দিকে হাত নাড়ছেন। পাপারাজ্জির অনুরোধে মুখের মাস্ক খুলে পোজও দেন। ঠিক সেই সময়ই ক্যামেরার পেছন থেকে শোনা যায়, “অভিনন্দন ম্যাডাম।”
রশ্মিকা হেসে পাল্টা প্রশ্ন করেন, “কিসের জন্য?” পাপারাজ্জি সঙ্গে সঙ্গেই বলেন, “বিয়ে। ২৬ তারিখের জন্য অপেক্ষা করছি ম্যাডাম।”এই কথায় রশ্মিকা কোনও প্রতিবাদ করেননি। বরং মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে লাজুক হাসিতে রাঙা হয়ে ওঠেন। সেই নীরব সম্মতিই এখন নেটদুনিয়ায় সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত বলে মনে করছেন অনেকে।স্পষ্ট করে কিছু না বলেও, ওই মুহূর্তে রাশমিকার লাজুক প্রতিক্রিয়া যেন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিল।


অনিলের নয়া লুক

কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, নেই বাড়তি নাটক। তবু অনিল কাপুরের সাম্প্রতিক একটি ছবি মুহূর্তেই নেটদুনিয়ায় আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। সম্পূর্ণ ধূসর চুলে অভিনেতার নতুন লুক ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা, এ কি শুধুই স্টাইল বদল, নাকি আসন্ন কোনও বড় চরিত্রের নীরব ইঙ্গিত?

৬৯ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও অনিল কাপুর যে এখনও চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে জানেন, তার প্রমাণ মিলেছে এই একটিমাত্র পোস্টেই। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “সকাল জানে না সেদিন তার জন্য কী অপেক্ষা করে আছে….” সংক্ষিপ্ত, রহস্যময় এই ক্যাপশনই যথেষ্ট ছিল কৌতূহল উস্কে দেওয়ার জন্য। অনেকের চোখে, এটি নিছক চেহারার পরিবর্তন নয়, বরং পরিকল্পিত এক বিবর্তন। যা সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে, তা হল এই লুকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দৃঢ়তা। কোনও বাহুল্য নেই, নেই বয়স ঢাকার চেষ্টা। স্বাভাবিক ধূসর চুলে অনিল কাপুর যেন আরও ভারী, আরও কর্তৃত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞতা-নির্ভর উপস্থিতি, যা উচ্চস্বরে নিজেকে জাহির করে না, অথচ নিঃশব্দে দখল নেয় পর্দা।

সমাজমাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও তেমনই। অনেকে মনে করছেন, এই লুক ইন্ডাস্ট্রির চিরাচরিত বয়স-ঢাকা প্রবণতার ঠিক উল্টো পথে হাঁটার সাহসী সিদ্ধান্ত। কসমেটিকের আশ্রয় না নিয়ে বাস্তবতাকে আলিঙ্গন করাই যেন এই রূপান্তরের মূল বার্তা। সূত্রের দাবি, অনিল কাপুরের লুকের এই পরিবর্তন কোনও তাড়াহুড়োর ফল নয়। মাসের পর মাস সময় নিয়ে ধীরে ধীরে ধূসর হতে দিয়েছেন চুল, যাতে লুকটি স্বাভাবিক ও বিশ্বাসযোগ্য লাগে। সেই ধৈর্যই আজ এই চেহারাকে দিয়েছে আলাদা ওজন।

রীতেশকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জেনেলিয়ার

বলিউডে সম্পর্কের আয়ু যেখানে প্রায়ই প্রশ্নের মুখে, সেখানে রীতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া দেশমুখের দাম্পত্য যেন ব্যতিক্রমী এক অধ্যায়। ঝলমলে প্রচার নয়, চটকদার ঘোষণা নয়, এই সম্পর্কের শক্তি বরাবরই তার সরলতা ও আন্তরিকতায়। বিবাহবার্ষিকীতে জেনেলিয়ার একটি আবেগঘন ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ফের সেই কথাই মনে করিয়ে দিল।

ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটিগুলির মধ্যে অন্যতম এই দম্পতির গল্প শুরু হয়েছিল ২০০৩ সালে, তাঁদের ডেবিউ ছবি তুঝে মেরি কসম–এর সেটে। সহ-অভিনেতা হিসেবে কাজ করতে করতেই তৈরি হয় বন্ধুত্ব, আর সেই বন্ধুত্বই ধীরে ধীরে রূপ নেয় গভীর সম্পর্কে। যদিও কেরিয়ারের শুরুর দিক থেকেই তাঁদের নিয়ে গুঞ্জন ছিল, তবু দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন আলোচনার বাইরে রাখতেই পছন্দ করেছিলেন দু’জনেই। বিবাহবার্ষিকীতে জেনেলিয়া ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নেন তাঁদের বিয়ের দিনের কিছু ছবি। ছবিগুলির সঙ্গে তাঁর লেখা বার্তায় ছিল সহজ অথচ গভীর আবেগ, “ভালবাসা নিও  আমার সঙ্গী – আজ,আগামীকাল, সারাজীবনের জন্য। জীবন নামের এই সুন্দর গল্পের তুমি আমার সথেকে প্রিয় অধ্যায়। শুভ বিবাহবার্ষিকী।”