সদ্য বিয়ে হয়েছে কুমকুম-এর। কেন হঠাৎ বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হল কুমকুম–ইশানকে? জানতে আজকাল ডট ইন পৌঁছে গিয়েছিল শুটিং ফ্লোরে। বৃষ্টিভেজা বিকেলে কী চলছিল সেদিন চিত্রায়ন স্টুডিওতে?
কুমকুমের খুঁটিনাটি
কুমকুম ও তার মাকে অপমানের জবাব দিতে ইশান হুলস্থুল কাণ্ড বাধায়। কুমকুমকে প্রতিবাদ করতে বলে। কিন্তু সমাজ ও পরিস্থিতির কাছে হার মানে কুমকুম। একটানা চলছে সিন। কখনও মাস্টার ফ্রেম কখনও ক্লোজআপ। শট শেষে একেবারে ক্লান্ত কুমকুম ওরফে নবাগতা অভিনেত্রী অনুষ্কা। অনুষ্কা ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। কীভাবে স্বপ্নপূরণ হল তাঁর? বিকেলের চায়ে চুমুক দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, "আমি ছোটবেলা থেকেই নাচ শিখতাম। ইচ্ছে ছিল নাচ নিয়েই এগোব। মায়ের স্বপ্ন ছিল আমায় টিভির পর্দায় দেখার। মায়ের স্বপ্নই এখন আমার স্বপ্ন। অডিশন দিতাম, তারপর হুট করেই সুযোগ আসে। আমি খবরটা পেয়ে কেঁদে ফেলেছিলাম।" কুমকুম চরিত্রটা থেকে এখনও পর্যন্ত কী শিখলেন? নায়িকা একটু চুপ করে থেকে বলেন, "পুরনো জিনিসকে আরও আগলে রাখতে শিখেছি। এই চরিত্রটার মতোই আমার স্বভাব। আমিও হাতের কাজ করি, খুব ভাল লাগে। আর কুমকুমের মতোই শান্ত আমি। খুব একটা রাগ হয় না। যদি কখনও মন খারাপ হয়, চুপ করে থাকি।" দর্শকের মতে পর্দার কুমকুম এখনও স্কুলের গণ্ডি পেরোননি, সত্যিই কি তাই? একগাল হেসে অনুষ্কা বলেন, "আমি প্রাইভেটে পড়ি। বাকিটা না হয়, এখন না-ই বা বললাম।"

নায়কের ফ্যানবেস
নায়িকার সঙ্গে গল্প জমলেও পর্দার নায়কের দেখা নেই। একদিকে সিনের চাপ, অন্যদিকে ধারাবাহিকের লেখিকার সঙ্গে কনফারেন্স কলে ব্যস্ত তিনি। তাই বিকেলের চায়ের আড্ডায় 'মিসিং' পর্দার 'ইশান' ওরফে অভিনেতা আদৃত রায়। সন্ধের একটু আগে দেখা মিলল তাঁর। আদৃতের কথায়, "এই প্রথমবার অ্যাংরি ইয়ং ম্যানের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে না আমায়। চরিত্রটা মিষ্টি।" নতুন নায়িকার সঙ্গে কেমন জমছে? নায়কের ঝটতি জবাব, "আমরা খুব মজা করে কাজ করি। অনেকেই আমার চেনা। অনুষ্কার মধ্যে শেখার চেষ্টা আছে। আমরা ওকে সেটে সাহায্য করি, যাতে তাড়াতাড়ি সিন মুখস্থ করতে পারে।" নায়কের কথায়, লজ্জায় মুখ ঢাকলেন অনুষ্কা। বুঝিয়ে দিলেন, শটের মাঝে সিন ভুলে যাওয়ার মতো কাণ্ড বহুবার ঘটিয়েছেন।
ফ্লোরের বাইরে আদৃতের অনুরাগীদের ভিড়। কেক এনে অপেক্ষা করছেন তাঁরা। মাঝেমধ্যেই প্রিয় নায়ককে এক ঝলক দেখার জন্য আসেন তাঁরা। শটে যাওয়ার তাড়া থাকলেও অনুরাগীদের নিরাশ করলেন না আদৃত। কেক কেটে খাইয়ে দিলেন সবাইকে। সেলফির চাহিদা আর ভিড় যেন আরও বাড়তে থাকল। এর মধ্যেই পরিচালক সমীক বসু ফ্লোরের বাইরে বেরিয়ে এসে হাঁকডাক জুড়লেন। পরিচালকের মেজাজ বুঝে ভিতরে ছুটলেন নায়ক-নায়িকা।
















