রুদ্রনীল বলেন, "টেকনিশয়ানদের একটা বড় অংশ টেকনিশিয়ান স্টুফিওর তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তাঁদের আবেদন জানানোর জন্য জড়ো হয়েছিল৷ বাইরের কিছু লোক যাঁদের সঙ্গে টালিগঞ্জের কোনও সংযোগ নেই তাঁরা বিশৃঙ্খলা করে৷ এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অনভিপ্রেত৷"

"কোন নিয়মে টলিউড চলছে এবং চলবে এই বিষয় কিছু বক্তব্য তাঁরা জমা দিয়েছেন সকলে একসঙ্গে।  সকলে কাজ করতে চান সেই বিষয় তাঁরা নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম প্রত্যাশা করছেন৷" বলেন রুদ্রনীল। 

রুদ্রনীল ঘোষ জানান, "অন্যান্য বিভাগগুলোর মতো সংস্কৃতি জগতও সুন্দর ভাবে চলুক৷ মতান্তর থাকতেই পারে, কোনও সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে যে ক্ষতি করতে পূর্বের সরকার বাধ্য করিয়েছেন মানুষকে করতে, যে যাঁতাকলের মধ্যে ফেলা হয়েছিল সেই পরিবেশ যেন আর না থাকে৷ ভয় আউট ভরসা ইন-এর পরিবেশ তৈরি হবে৷ "

রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, "প্রায় ৮ হাজার কলাকুশলী। আজ কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি৷  তাঁদের মধ্যে একটা দোটানা তৈরি হয়েছে, টলিউডে কীভাবে কাজ চলবে সেই বিষয়।  যা করলে টলিউডের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার হয়, সরকারি নির্দেশ মেনে সেভাবেই তাঁরা চলবেন এটাই জানিয়েছেন।" 

গতকাল পাপিয়া অধিকারী টলিউডে SIR এর কথা বলেছিলেন৷ রুদ্রনীলের বক্তব্য কিছুটা আলাদা বলে মনে হচ্ছে, একথার উত্তরে রুদ্রনীল জানান, টলিউডের বিষয় যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এবং  তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর নেবেন৷ আমাদের কারও উপর অভিমান বা অভিযোগ থাকতে পারে৷ কিন্তু ব্যান কালচার নিয়ে আগের সরকার যে অরাজকতা তৈরি করেছিল সেই বিষয়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কখনও সহমত পোষণ করেন না৷ যোগ্যতার ভিত্তিতে সকলে কাজ পাক৷ সরকারের তরফ থেকে বার্তা একটাই, সকলে একসঙ্গে কাজ করুক৷ তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরে দায়িত্বশীল আধিকারিকরা রয়েছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চই আলোকপাত করবেন। যাতে ভয়ভীতিহীন ভাবে টলিউডে পরিচালক, প্রযোজক, কলাকুশলী সকলে একসঙ্গে কাজ করতে পারেন।"

টলিউডে SIR কি হবে? রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, "এই বিষয় আমি বলতে পারব না৷ মুখ্যমন্ত্রী এবং তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর বলবেন৷ নিশ্চয়ই এমন কিছু তথ্য রয়েছে, অভিযোগ রয়েছে৷ এসব তথ্য আমাকে বিভ্রান্ত করে৷  এমন কিছু হলে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে নোটিফিকেশন নিশ্চই আসবে৷"