ধামাকাদার পর্ব আসছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা'তে। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্নেহা নিজের বাড়ি থেকে একটা দলিল খুঁজে পেয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বাড়ি থেকে হোটেল সমস্তকিছু ইন্দিরার নামে করে দেওয়া আছে। স্নেহা ভুল বোঝে তার মাকে। মাকে গিয়ে বলে, কেন তাদের না জানিয়ে এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিল সে?
বোন মাকে অপমান করছে, সেটা সহ্য করতে পারে না অন্নপূর্ণার বড়মেয়ে স্বাতী। সে স্নেহাকে বলে, এই দলিল তাদের বাবা তাকে দিয়েছিল। আর ব্যস, সত্যিটা জানতে পেরে আরও চটে যায় স্নেহা। সে তৎক্ষণাৎ দুই বোনকে নিয়ে পৌঁছে যায় ইন্দিরার বাড়িতে। ইন্দিরা তাদের হুমকি দিতে এলে জোর গলায় স্নেহা প্রতিবাদ করে। জানায়, তারা তিনবোন শিবের ত্রিনয়ন। যদি তাদের দিকে হাত বাড়াতে কেউ আসে, তাহলে সে ভস্ম হয়ে যাবে। ইন্দিরার সমস্ত কারসাজি সে ফাঁস করে দেবে বলেও জানায়। এরপর কী হবে? ইন্দিরার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে কি আরও বড় কোনও বিপদে পড়বে স্নেহা?
কিছুদিন আগেই এই ধারাবাহিকের গল্পে দেখানো হয়েছিল, বাড়ির লক্ষ্মী-নারায়ণকে সাক্ষী রেখে রাজা ও শর্মিকে আশীর্বাদ করে রাজার মা দুর্গাবতী। সে বলে, রাজা মায়ের দেওয়া কথা রাখবে। শর্মির সঙ্গেই রাজার বিয়ে হবে।
মায়ের মুখে এই কথা শুনে ঘাবড়ে যায় রাজা। সে তো মনে মনে স্নেহাকেই ভালবাসে। রাজা কালী মন্দিরে যায় ভগবানকে মনের কথা বলতে। আর ঠিক সেই সময় সেখানে হাজির হয় অন্নপূর্ণা। সে রাজাকে একটা শাড়ি দিয়ে বলে, এটা ভগবানের আশীর্বাদী শাড়ি। রাজা সেটা নিয়ে মন্দিরে ঢুকতে গিয়ে দেখে স্নেহা সেখানে বসে আছে। যদিও স্নেহা রাজাকে খেয়াল করে না। এদিকে, ভগবানের কাছে স্নেহাকে ভালবাসার কথা মনে মনে বলতেই ঘটে এক অলৌকিক কাণ্ড। ঝোড়ো হাওয়া এসে ওই আশীর্বাদী শাড়িটা রাজা ও স্নেহার মাথায় এসে পড়ে। তবে কি ঈশ্বরের আশীর্বাদেই এক হবে তারা? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক।
















