সদ্যই তৃতীয় বিয়ে করে চর্চায় রয়েছেন তিনি। লাভ জিহাদ বিতর্কের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের থেকে পেয়েছেন হুমকিও। আর এর মাঝেই প্রকাশ্যে এল আমির খানের সৎ ভাইয়ের শোচনীয় অবস্থার কথা। 

আমির খানের সৎ ভাই হায়দার আলি খানকে বিয়ে করেছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইভা গ্রোভার। তিনি অতীতে একাধিকবার তাঁর এই বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন, জানিয়েছেন এটি তাঁর জীবনের সব থেকে অন্ধকারময় অধ্যায়। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর গলায় একেবারেই উল্টো সুর শোনা গেল। ইভা গ্রোভার সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর প্রাক্তন স্বামী, হায়দার আলি খানের অবস্থা নিয়ে বেজায় চিন্তিত। তিনি নাকি মোটেই ভাল নেই। আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ তাঁর। খাবার পর্যন্ত জুটছে না। 

এদিন এই সাক্ষাৎকারে ইভা বলেন, 'বর্তমানে হায়দারের অবস্থা একদমই ভাল না। না ওর কোনও থাকার জায়গা আছে, না খাবার। দু' মুঠো খাবারের জন্যও ওকে লড়াই করতে হয়। কখনও কখনও কেউ ওকে নিজের বাড়িতে রাখেন, সেই দিনগুলো বস্তির কোনও ঘরে কাটায়, কখনও কোনও বন্ধু সাহায্য করে। আমার খুবই খারাপ লাগে। যা হয়েছিল আমাদের মধ্যে সেটা অতীত। কিন্তু একটা সময় তো ও আমার স্বামী ছিল।' 

এদিন অভিনেত্রী আরও বলেন, 'ওর চারপাশে এমন বহু মানুষ ছিল যাঁরা ওকে ক্রমাগত মদ খাইয়ে যেত। মদ্যপান করায় উসকানি দিত। এখন ওকে দেখার জন্য আর কেউ নেই। আমি শুধু চাই ও যেন শান্তিতে ভাল থাকে। অনেক কষ্ট পেয়েছে।' 

ইভা কথা প্রসঙ্গে এদিন তাঁর দাম্পত্যের কথাও বলেন। জানান হায়দার ডিজফ্রেনিয়ার রুগী ছিলেন। জানান নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করেছিলেন এই বিয়েতে। তাঁর কথায়, ' বিয়ের তৃতীয় দিনেই প্রথমবার ওর অত্যাচারের শিকার হই। ওর সিজোফ্রেনিয়া ছিল জানতাম না। এমনকী রোগটা কী সেটাও জানতাম না। বিয়ের আগে ১৮ দিন কেবল ওর ভাল রূপটাই দেখেছি। বিয়ের তিন দিন পর থেকেই আমাকে মারতে শুরু করে। ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত বেধড়ক মারত। আমি বিয়েটা টেকানোর চেষ্টা করেছিলাম। ভেবেছিলাম সন্তান হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু হল উল্টোটা। আমার মেয়ে জন্মানোর পরই ডিভোর্সের পদ্ধতি শুরু হয়। আমাকে আমার মায়ের বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়। আমার সারা গায়ে ক্ষত ছিল। ওখানে থাকলে আমি বাঁচতাম না।'