লিয়েন্ডার শুধুমাত্র একজন প্রাক্তন টেনিস তারকা নন। তিনি হয়ে ওঠেন এক অনুভবের প্রতীক। টেনিস কোর্টে তাঁর প্রতিটি লড়াই হয়ে ওঠে সমষ্টির বহিঃপ্রকাশ। কে ভুলতে পারেন ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিক থেকে তাঁর ব্রোঞ্জ আনার আখ্যান। জাতীয় পতাকার নীচে লিয়েন্ডারই শিখিয়েছেন, জয় কেবল স্কোরবোর্ডেই খোদিত থাকে না। তা লেখা হয় মানুষের মনে। সেই জয়ের রেশ থেকে যায় চিরকাল।
এর আগে কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সঙ্গে দেখা করেন লি। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। যদিও সে সময়ে বিজেপির রাজ্য বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এ নিয়ে মুখ খোলেনি। নিউটাউনের যে হোটেলে নীতিন ছিলেন, সেই হোটেলে গিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। সাক্ষাৎ হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে। ওই হোটেলের লবিতে দাঁড়িয়েই বেশ কয়েক জন বিজেপি নেতার সঙ্গে লিয়েন্ডারকে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। তার পর থেকেই লিয়েন্ডারকে নিয়ে শুরু হয়ে যায় চর্চা।
গত ৮ নভেম্বর রাজ্য টেনিস সংস্থার সভাপতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ ঘটে লিয়েন্ডারের। অনেকেরই ধারণা, সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার সর্বোচ্চ পদে বসতে চান লিয়েন্ডার। তবে ভোটের টিকিট পাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে রাজনীতির কোর্টে লিয়েন্ডার এই প্রথম নন। এর আগে ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২২ সালের গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারিতে ঘোষিত তৃণমূলের ৬৯ সদস্যের গোয়া রাজ্য কমিটিতে পেজকে রাখা হয়নি।
ডেভিস কাপে দেশের হয়ে লিয়েন্ডার হারিয়েছেন গোরান ইভানিসেভিচের মতো বিগ সার্ভারকে।মহেশ ভূপতির সঙ্গে জুটিতে হারিয়েছেন চিলির মার্সেলো রিয়সকে। গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতার ডাবলসে লিয়েন্ডারের সাফল্য কিংবদন্তির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। সেই লিয়েন্ডার এবার বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে পদ্ম-শিবিরে যোগ দিচ্ছেন।